কালিয়াগঞ্জে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাগিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে,রাস্তাঘাট সুনসান
1 min readকালিয়াগঞ্জে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাগিয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ছে,রাস্তাঘাট সুনসান
তপন চক্রবর্তী, কালিয়াগঞ্জ,২০মে:উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ পৌর শহরের ১৭টি ওয়ার্ডে যে ভাবে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হচ্ছে তাতে শহরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্কের ছায়া সর্বত্র। বৃহস্পতিবার কালিয়াগঞ্জ শহরে ১৮জন করোনায় আক্রান্তের খবরে বেশি শঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলে জানা যায়।কালিয়াগঞ্জ পৌর শহরের ১৭টি ওয়ার্ডে মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো-২৮০ জন।
যার মধ্যে ১০৭জন সুস্থ্য হয়েছেন।মারা গেছেন মোট ৪জন।যার মধ্যে বিজেপির কালিয়াগঞ্জের নেতা রানা প্রতাপ ঘোষের আইনজীবী ভাই অত্যন্ত অল্প বয়সেই করোনা তার প্রাণ নিয়েছে।পরবর্তীতে রানা প্রতাপ ঘোষ ও করোনায় আক্রান্ত হলেন নুতন করে।কালিয়াগঞ্জ পৌর শহরে করোনায় প্রাণ কেড়ে নিল মোট ৪ জনের।বৃহষ্পতিবার কালিয়াগঞ্জ পৌর শহরে মোট ১৮জন করোনায় আক্রান্ত হয়।
যার মধ্যে ৪ নম্বর ওয়ার্ডে-৫জন,৫নম্বর ওয়ার্ডে-২জন,৮নম্বর ওয়ার্ডে-১জন, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে-৩জন,১২নম্বর ওয়ার্ডে-১জন,১৪নম্বর ওয়ার্ডে-১জন,১৫নম্বর ওয়ার্ডে-১জন,১৬নম্বর ওয়ার্ডে-১জন এবং১৭নম্বর ওয়ার্ডে১জন আক্রান্ত হবার খবর পাওয়া যায়।কালিয়াগঞ্জ পৌর শহরের মানুষ এতটাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে বেলা ১০টার পর কালিয়াগঞ্জ পৌর শহরে যেন শ্মশানের নীরবতার ছবি সর্বত্র বিরাজ করছে।
এ ব্যাপারে কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর সুরজিৎ কৈরী এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন পৌর সভার পক্ষথেকে প্রতিদিন শহরের রাস্তাঘাট,বাজারঘাট,বিভিন্ন দোকান সর্বত্রই স্যানেটা ইজের কাজ চালানো হচ্ছে।এছাড়াও মাস্ক পড়া বর্তমানে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।মাস্ক ছাড়া কোন ব্যক্তিকে পুলিশ দেখতে পেলেই তার বিরুদ্ধে কেস স্টার্ট করে দেওয়া হচ্ছে বলে
কালিয়াগঞ্জ থানার আই সি দীপাঞ্জন দাস জানান।কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার প্রসাশক মন্ডলীর প্রসাশক শচীন সিংহ রায় এক সাক্ষাৎকারে বলেন তারা।পৌর সভার পক্ষ থেকে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছেন এবং শহরের মানুষকে সব সময়ের জন্য বাড়ির বাইরে অযথা ঘোড়া ঘুড়ি না করার পরামর্শ মাইকিং এর মাধ্যমে সচেতন করে দেওয়া হচ্ছে বলে জানান।যার ফল স্বরূপ সকাল দশটার পর থেকে দিনে ও রাত্রিতে রাস্তার সর্বত্রই সুনসান হয়ে পড়েছে।খুব জরুরি কাজ না থাকলে গৃহবন্দি হয়েই বাড়ির ভেতরে অবসর যাপন করে কাটিয়ে দিচ্ছে আট থেকে আশি বয়সী সবাই।