পৌরসভা নিয়ন্ত্রিত শ্রীমতী নদীর বিসর্জন ঘাট পরিদর্শনে সাংসদ তথা পুরপ্রধান কার্তিক পাল! প্রতিমা নিরঞ্জন ঘিরে প্রস্তুতি খতিয়ে দেখলেন তিনি

তপন চক্রবর্তী, কালিয়াগঞ্জ: দুর্গাপুজোর আনন্দ-উৎসবের শেষ পর্বে প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই কালিয়াগঞ্জের শ্রীমতী নদীর বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন করলেন রায়গঞ্জের সাংসদ তথা কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার পুরপ্রধান কার্তিক পাল।

 

পৌরসভা নিয়ন্ত্রিত এই বিসর্জন ঘাটে প্রতিমা নিরঞ্জনকে কেন্দ্র করে পরিকাঠামো ও প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই তাঁর এই পরিদর্শন বলে জানা গিয়েছে।দুর্গাপুজোর কয়েক দিন ধরে কালিয়াগঞ্জ শহর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বিভিন্ন পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়েছে। পুজোর আনন্দের পর এবার প্রতিমা বিসর্জনের পালা। এই সময়ে বিসর্জন ঘাটে পুজো উদ্যোক্তা, প্রতিমা বহনকারী এবং সাধারণ মানুষের সমাগম বাড়ে। ফলে ঘাটের নিরাপত্তা, যাতায়াতের সুবিধা এবং সুষ্ঠুভাবে প্রতিমা নিরঞ্জনের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে সাংসদ তথা পুরপ্রধান কার্তিক পালের বিসর্জন ঘাট পরিদর্শন বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। পরিদর্শনকালে ঘাটের বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে পৌরসভার ব্যবস্থাপনা খতিয়ে দেখার বিষয়টি সামনে এসেছে।শ্রীমতী নদীর বিসর্জন ঘাট কালিয়াগঞ্জের দুর্গাপুজো-পরবর্তী উৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান।

 

বিভিন্ন পুজো কমিটির প্রতিমা নিরঞ্জনের সময় যাতে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে বিসর্জন পর্বে অংশ নিতে পারেন, তার জন্য প্রশাসনিক নজরদারি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি।

 

বিশেষ করে নদীর ঘাটে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, নিরাপদে প্রতিমা নিরঞ্জন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার মতো বিষয়গুলিতে নজর দেওয়া প্রয়োজন।

 

পৌরসভার পক্ষ থেকে এই বিষয়গুলির যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে বিসর্জন পর্ব আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।সাংসদ তথা পুরপ্রধান কার্তিক পালের এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে বিসর্জন ঘাটের প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এখন দেখার, প্রতিমা নিরঞ্জনের দিন পৌরসভা ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় কতটা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় কালিয়াগঞ্জের দুর্গাপুজোর শেষ পর্ব।