স্বপ্নপুরী সাজে রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস: নতুন ট্রেন দেখতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়
তন্ময় চক্রবর্তী, রাধিকাপুর: উত্তরবঙ্গের রেল মানচিত্রে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করে রাধিকাপুর স্টেশনে এসে পৌঁছাল বহু প্রতীক্ষিত রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস। গতকাল রাতেই ট্রেনের রেকটি স্টেশনে এসে পৌঁছালে আজ সকাল থেকেই উৎসবের মেজাজ ধরা পড়ে রাধিকাপুর রেল চত্বরে।ফুলে-বেলুনে বর্ণিল সাজউদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা প্রায় ২৪টি বগির এই সুদীর্ঘ ট্রেনটিকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে মনোরমভাবে।
ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে শুরু করে প্রতিটি কামরা সাজানো হয়েছে টাটকা গেন্দা ফুলের মালা এবং রঙ-বেরঙের বেলুন দিয়ে। ট্রেনের ঝকঝকে নতুন কামরাগুলো এক নজর দেখতে সকাল থেকেই ভিড় জমাচ্ছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ।আজ রাধিকাপুর স্টেশনে এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্টেশনের একপাশে দাঁড়িয়ে ছিল রাধিকাপুর-কলকাতা এক্সপ্রেস, অন্যদিকে রাধিকাপুর-শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি। আর ঠিক মাঝখানে নিজের রাজকীয় উপস্থিতি জানান দিচ্ছিল নীল-সাদা রঙের ঝকঝকে রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস। স্টেশনে একই সঙ্গে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের উপস্থিতি দেখে আপ্লুত স্থানীয় বাসিন্দা ও রেলপ্রেমীরা।খুশির হাওয়া সাধারণ মানুষের মধ্যেবেঙ্গালুরু যাওয়ার জন্য সরাসরি এই ট্রেন পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি এলাকার মানুষ। ট্রেন দেখতে আসা এক দর্শনার্থী জানান, “আমরা অনেকদিন ধরেই এই ট্রেনের অপেক্ষায় ছিলাম। ট্রেনের কামরাগুলো এত সুন্দর আর পরিষ্কার যে দেখে মনে হচ্ছে স্বপ্নপুরী। এখন থেকে দক্ষিণ ভারতে চিকিৎসা বা কর্মসংস্থানের জন্য যাওয়া অনেক সহজ হবে।”রেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর, যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের কথা মাথায় রেখেই এই ট্রেনের প্রতিটি কামরা আধুনিক মানের করা হয়েছে। এই নতুন ট্রেনটি চালু হওয়ার ফলে শুধু রাধিকাপুর নয়, সংলগ্ন বিশাল এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এক নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে






![]()
