ধর্ম, ভক্তি আর ভোটের সমীকরণ—কালিয়াগঞ্জে নাম যজ্ঞে বিজেপি বিধায়ক সৌমেন রায়
তন্ময় চক্রবর্তী :-আজ মাঘী পূর্ণিমা উপলক্ষে দিকে দিকে শুরু হয়েছে মহানাম সংকীর্তন। ধর্মীয় আবহের মাঝেই ক্রমশ ঘনিয়ে আসছে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন। ফলে ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিতি বাড়াতে ব্যস্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব। এই প্রেক্ষাপটে আজ উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত পশ্চিম মুস্তাফা নগরে আয়োজিত ১৬ প্রহর নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা গেল কালিয়াগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন রায়কে।

এদিন বিধায়ক প্রথমে নাম যজ্ঞ আয়োজক কমিটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে স্বল্প সময়ের আলাপচারিতায় অংশ নেন। এরপর তিনি নাম যজ্ঞের মঞ্চে উঠে বাতাসা ভোগ নিবেদন করে প্রণাম করেন এবং উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশ্যে বাতাসা ছেটান। বিধায়ককে কাছে পেয়ে উপস্থিত সাধারণ মানুষদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা চোখে পড়ার মতো ছিল।
অনেককেই স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিধায়কের সঙ্গে করমর্দন করে কুশল বিনিময় করতে দেখা যায়।অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির এক কর্মকর্তা বলেন,“মাঘী পূর্ণিমার পবিত্র দিনে ১৬ প্রহর নাম যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। বিধায়ক সৌমেন রায় আমাদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে ভোগ নিবেদন করেছেন, এতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এতে অনুষ্ঠানের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেল।”এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিধায়ক সৌমেন রায় বলেন,“মাঘী পূর্ণিমা হিন্দু সমাজের এক পবিত্র তিথি। মহানাম সংকীর্তনের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠে। এই ধরনের ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠান আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখে। মানুষের সঙ্গে থেকে তাঁদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়াই জনপ্রতিনিধির মূল দায়িত্ব।”ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পশ্চিম মুস্তাফা নগরের ১৬ প্রহর নাম যজ্ঞ অনুষ্ঠান ঘিরে এদিন এক ভিন্ন আবহ তৈরি হয়।





![]()
