দিল্লির সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোমুখি রায়গঞ্জের প্রতিনিধি দল: উত্তর দিনাজপুরের উন্নয়ন-ভাবনা ও বিশেষ দাবি পেশ সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পালের
উত্তর দিনাজপুর জেলাকে ‘পিছিয়ে পড়া’র তকমা থেকে মুক্ত করতে এবং সার্বিক বিকাশের সলতে পাকানোর লক্ষ্য নিয়ে দিল্লির সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎ সারলেন রায়গঞ্জের বিজেপি সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল।

কেবল তিনি একা নন, উত্তর দিনাজপুরের উন্নয়নের এক বলিষ্ঠ বার্তা দিতে সাংসদের সঙ্গে এদিন উপস্থিত ছিলেন জেলার দুই মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী ও বিরাজ বিশ্বাস এবং জেলার দুই জনপ্রিয় বিধায়ক—কালিয়াগঞ্জ এর বিধায়ক উৎপল মহারাজ ও হেমতাবাদ এর বিধায়ক হরিপদো বর্মন।সংসদ ভবনে আয়োজিত এই আবহমান ও হৃদ্যতাপূর্ণ বৈঠকে প্রধান আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল উত্তর দিনাজপুর জেলার সামগ্রিক পরিকাঠামোগত এবং সামাজিক উন্নয়ন। প্রতিনিধি দলের পক্ষে সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল প্রধানমন্ত্রীর কাছে জেলার বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং স্পষ্ট জানান যে, জেলার মানুষ আজ দীর্ঘদিনের ‘পিছিয়ে থাকা’র অপবাদ ঘুচিয়ে এক নতুন ভোরের প্রতীক্ষায় রয়েছেন।

বৈঠকে মূলত যে বিষয়গুলি গুরুত্ব পায়:যোগাযোগ ও রেল পরিকাঠামো: জেলার দীর্ঘদিনের অধরা রেল ও সড়ক যোগাযোগের আধুনিকীকরণ।কৃষি ও স্থানীয় শিল্প: উত্তর দিনাজপুরের কৃষিজ পণ্য ও স্থানীয় ছোট-মাঝারি শিল্পকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবা: সাধারণ মানুষের জন্য উন্নততর চিকিৎসা পরিকাঠামো এবং গুণমানসম্পন্ন শিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি।”প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির সঙ্গে এই রূপরেখা নিয়ে মুখোমুখি আলোচনার সুফল আগামী দিনে পুরো উত্তর দিনাজপুর জেলা দেখতে পাবে।” প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই ঐতিহাসিক বৈঠকের পর অত্যন্ত আনন্দিত ও আশাবাদী প্রতিনিধি দল।
বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল এবং উপস্থিত বিধায়কেরা জানান, দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিজেদের জেলার চাহিদা ও দাবিগুলো সরাসরি পৌঁছে দিতে পেরে তারা অত্যন্ত গর্বিত ও সন্তুষ্ট।তারা আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য্য ও আন্তরিকতার সঙ্গে তাঁদের কথা শুনেছেন এবং উত্তর দিনাজপুর জেলার সার্বিক পরিবর্তনের জন্য কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে সম্ভাব্য সবরকম সহায়তার বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন।এই হাই-প্রোফাইল সৌজন্য সাক্ষাতের পর এখন উত্তর দিনাজপুর জেলার নাগরিক মহলেও নতুন আশার আলো সঞ্চারিত হচ্ছে। জেলাবাসীর বিশ্বাস, কেন্দ্রের এই সদিচ্ছা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় খুব শীঘ্রই উত্তর দিনাজপুর একটি উন্নত ও সমৃদ্ধশালী জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।
