পুজোর আগেই একদম নতুন সাজে সেজে উঠতে চলেছে কুমারটুলি ঘাট
আগেই কথা ছিল হেরিটেজ কুমারটুলিকে নতুন রুপ দিতে হবে। এখানে দূর দূরান্ত থেকে অনেক ট্যুরিস্ট আসে। জানা গিয়েছে, কুমোরটুলি থেকে চম্পাতলা ঘাট পর্যন্ত হুগলি নদীর ৩০০ মিটার অংশকে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে। সূত্রের খবর,আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এই নতুন ঘাটের উদ্বোধন হতে পারে।
শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী পোর্ট (কলকাতা পোর্ট ট্রাস্ট) এবং আদানি পোর্টস অ্যান্ড স্পেশাল ইকোনমিক জোন লিমিটেড (APSEZ)-এর যৌথ উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী ঘাটের খোলনলচে বদলে ফেলা হচ্ছে। জোরকদমে কাজ শুরু হয়েছে। ঐতিহ্যবাহী কুমোরটুলির ঘাটকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলতে ১০ কোটি টাকা ব্যয় করছে আদানি গোষ্ঠী। জানা গিয়েছে, কুমোরটুলি থেকে চম্পাতলা ঘাট পর্যন্ত হুগলি নদীর ৩০০ মিটার অংশকে নতুন রূপ দেওয়া হচ্ছে।সূত্রের খবর,আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর এই নতুন ঘাটের উদ্বোধন হতে পারে। আর এই মেগা প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন খোদ আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। হেরিটেজ ট্যুরিজমে জোর দেওয়া হচ্ছে। রাজ্য পর্যটন দফতর কুমোরটুলিকে একটি প্রধান হেরিটেজ ট্যুরিজম ডেস্টিনেশন বা ঐতিহ্যবাহী পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কুমোরটুলির ৩০০-রও বেশি মৃৎশিল্পী উপকৃত হবেন। শুধুমাত্র পুজোর মরশুমে নয়,সারা বছরই দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে তাঁদের শিল্পকলাকে প্রদর্শন করা সম্ভব হবে।
