নদী থেকে বালি র বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন।
ঝাড়গ্রাম জেলার লালগড় ও সাতপাটি এলাকার কংসাবতী নদী থেকে বালি এনে অবৈধ পরিবহন ও ওভারলোড যান চলাচলের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিয়েছে পুলিশ-প্রশাসন। জেলার বিভিন্ন এলাকায় লাগাতার নজরদারি ও অভিযানের ফলে বেআইনি বালি কারবারে বড়সড় ধাক্কা লেগেছে।

বিশেষ করে মানিকপাড়া ফাঁড়ি পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে অবৈধ বালি পরিবহনের সঙ্গে যুক্তদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা পৌঁছে গিয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ।ঝাড়গ্রামের ৪৯ নম্বর জাতীয় সড়কে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ওভারলোড বালি বোঝাই সাতটি লরি আটক করেছে মানিকপাড়া ফাঁড়ির পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মিত টহল ও নজরদারির সময় লালগড় ও সাতপাটি এলাকার কংসাবতী নদী থেকে বালি নিয়ে লোধাশুলির দিক থেকে আসা লরিগুলিকে আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ওভারলোড বালি পরিবহনের অভিযোগের সত্যতা মিললে সাতটি লরির বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে মানিকপাড়া ফাঁড়ি পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে জাতীয় সড়কে অবৈধ ও ওভারলোড বালি পরিবহন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এতে যেমন সড়ক দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমবে, তেমনি জাতীয় সড়কের ক্ষয়ক্ষতিও রোধ করা সম্ভব হবে। পুলিশের এই তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকার বাসিন্দারা।এদিকে, জেলার অন্য প্রান্তে গোপীবল্লভপুর ২ নম্বর ব্লকের সুবর্ণরেখা নদী থেকেও অবৈধ বালি উত্তোলনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।বেলিয়াবেড়া থানার পুলিশ ও ভূমি দপ্তরের যৌথ অভিযানে পাঁচটি পকলেন ও একটি ট্রাক আটক করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মোট প্রায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বালি উত্তোলন ও পরিবহনের বিরুদ্ধে পুলিশ ও প্রশাসনের এই ধারাবাহিক অভিযান আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।

