“ঘরে ঘরে নিশার কড়া নাড়া, উন্নয়নের ভরসা কৃষ্ণ— রায়গঞ্জে আবেগ ও আস্থার প্রচার”

তন্ময় চক্রবর্তী  :-রায়গঞ্জে নির্বাচনের আবহে এক আলাদা মানবিক ছবির সাক্ষী থাকল শহরবাসী। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবী কৃষ্ণ কল্যাণী-র হয়ে প্রচারের ময়দানে এবার সামনে এলেন তাঁর সহধর্মিনী নিশা কল্যাণী।

কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন মানুষের দুয়ারে দুয়ারে, কড়া নেড়ে খোঁজ নিচ্ছেন— “আপনারা ভালো আছেন তো? ভালো থাকবেন সবাই।”সহধর্মিনী হিসেবে নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই এই প্রচারে নেমেছেন বলে জানান নিশা কল্যাণী।

 

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন,“আমার খুব ভালো লাগছে। এটা আমার কর্তব্য। আমার স্বামী গত পাঁচ বছর বাড়িতে একটুও বসে থাকেননি। দিন-রাত পরিশ্রম করে গেছেন রায়গঞ্জের মানুষের জন্য। আমি নিজের চোখে দেখেছি, উনি কীভাবে সবার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই আমি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে একটু সহযোগিতা করতে চাই।”তিনি আরও বলেন, কৃষ্ণ কল্যাণীর কাজের প্রতি মানুষের যে আস্থা, তা তাঁকে ভীষণভাবে উৎসাহিত করছে।“উনি কখনো জাত-পাত, ধর্ম দেখেননি। যেই দরজায় গেছেন, কেউ খালি হাতে ফেরেনি। নিঃস্বার্থভাবে মানুষের সেবা করেছেন— সেই কাজের মূল্য মানুষ অবশ্যই দেবে,”— দৃঢ় বিশ্বাস নিশা কল্যাণীর।নিশা কল্যাণীর এই ঘরে ঘরে প্রচারে সাড়া দিচ্ছেন রায়গঞ্জের সাধারণ মানুষও। অনেকেই তাঁকে আশ্বস্ত করে বলছেন,“দাদা আমাদের ঘরের ছেলে। ওনাকে আবার জেতানোর দায়িত্ব আমাদের।”কেউ আবার বলেন,“কৃষ্ণদা যেমন কাজ করেছেন, তেমন  আমরা আবারই চাই। উনি সবসময় মানুষের পাশে থাকেন।”নিজের স্বামীর জয় নিয়ে শতভাগ নিশ্চিত নিশা কল্যাণী। তাঁর কথায়,“মানুষ যে ভালোবাসা আর আশ্বাস দিচ্ছে, তাতে আমি ১০০% নিশ্চিত— কৃষ্ণ কল্যাণী জিতবেনই। কারণ রায়গঞ্জের মানুষ জানে, যে কাজ করে তাকেই আবার সুযোগ দিতে হয়।”রায়গঞ্জে এই মানবিক ও আবেগঘন প্রচার যে ভোটের রাজনীতিতে এক বিশেষ প্রভাব ফেলছে, তা বলাই যায়। একদিকে কৃষ্ণ কল্যাণীর কাজের রেকর্ড, অন্যদিকে নিশা কল্যাণীর সরল ও আন্তরিক আবেদন— এই যুগল উপস্থিতিতে নির্বাচনী লড়াইয়ে বাড়ছে উত্তাপ ও আগ্রহ।