কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডে ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ছবির প্রদর্শনী ,রাজ্য সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরল সচেতনতামূলক উদ্যোগ

 

তন্ময় চক্রবর্তী।কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার ১৫ নং ওয়ার্ডে মা-মাটি-মানুষের সরকারের টানা ১৫ বছরের উন্নয়নের খতিয়ান স্বরূপ সচেতনতামূলক ছবি ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। এই ছবির মাধ্যমে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী উন্নয়নমূলক প্রকল্প সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়।ছবিটিতে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প।

 

কীভাবে এই প্রকল্প রাজ্যের লক্ষ লক্ষ নারীকে আর্থিক স্বনির্ভরতা দিয়েছে, সংসারের দৈনন্দিন খরচে সহায়তা করেছে এবং নারীদের সামাজিক মর্যাদা ও আত্মসম্মান বৃদ্ধি করেছে—তা ছবির বিভিন্ন দৃশ্যের মাধ্যমে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, কন্যাশ্রী, সবুজসাথী সহ দারিদ্র্য বিমোচনের ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের গৃহীত একাধিক উদ্যোগও ছবিতে গুরুত্ব সহকারে স্থান পেয়েছে।ছবি প্রদর্শন উপলক্ষে এলাকার বহু মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে উপস্থিত হন।

সাধারণ মানুষ ছবিটি দেখে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ সম্পর্কে আরও অবগত হন এবং সরকারের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। উপস্থিতদের মতে, এই ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ মানুষের কাছে সরকারের কাজ ও সাফল্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।ছবি প্রদর্শনীর পর কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার প্রাক্তন পৌরপতি তথা ১৫ নং ওয়ার্ডের কমিশনার রাম নিবাস সাহা তাঁর বক্তব্যে বলেন,“‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ছবির মাধ্যমে রাজ্য সরকারের গত ১৫ বছরের উন্নয়নের বাস্তব চিত্র মানুষের সামনে তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প রাজ্যের গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মহিলাদের জীবনে এক নতুন দিশা এনে দিয়েছে।

আজ মহিলারা নিজেদের প্রয়োজন নিজেরাই মেটাতে পারছেন, সংসারের সিদ্ধান্ত গ্রহণেও তাঁদের ভূমিকা বেড়েছে।”তিনি আরও বলেন,“মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মা-মাটি-মানুষের সরকার সব সময় সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা—সব ক্ষেত্রেই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। এই ধরনের ছবির মাধ্যমে সেই উন্নয়নের কথাই মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।”সব মিলিয়ে ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ শুধুমাত্র একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং মা-মাটি-মানুষের সরকারের মানবিক, জনদরদি ও উন্নয়নমুখী শাসনের এক বাস্তব প্রতিচ্ছবি বলেই মনে করছেন উপস্থিত সাধারণ মানুষ।