“২০২৯-এর লোকসভা ভোটের আগেই স্বাধীনতার পর রায়গঞ্জের সবচেয়ে সফল সাংসদ হবেন কার্তিক চন্দ্র পাল”—রায়গঞ্জের জনসভা থেকে বড় ভবিষ্যদ্বাণী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর!
তন্ময় চক্রবর্তী , কালিয়াগঞ্জ: “আমি বলে গেলাম, আপনারা মিলিয়ে নেবেন”—রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পালকে নিয়ে এমনই আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রায়গঞ্জে প্রশাসনিক বৈঠকের পর জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি দাবি করেন, ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই স্বাধীনতার পর রায়গঞ্জের সবচেয়ে সফল সাংসদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করবেন কার্তিক চন্দ্র পাল।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

সাংসদ হিসেবে কার্তিক চন্দ্র পালের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর আস্থা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী কার্যত বুঝিয়ে দিলেন, উত্তর দিনাজপুর জেলার উন্নয়নে তাঁকে সামনে রেখেই এগোতে চায় রাজ্য সরকার।উল্লেখ্য, রায়গঞ্জের সাংসদ হওয়ার পর থেকেই কার্তিক চন্দ্র পাল জেলার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন বলে তাঁর সমর্থকদের দাবি।

রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় রাস্তাঘাট, আলোকসজ্জা, নাগরিক পরিষেবা ও বিভিন্ন পরিকাঠামোগত উন্নয়নের উদ্যোগ নিয়ে তিনি ইতিমধ্যেই আলোচনায় এসেছেন। সাধারণ মানুষের একাংশের বক্তব্য, যে উন্নয়নের স্বপ্ন তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে দেখে এসেছেন, তারই কিছু বাস্তব রূপ এখন চোখে পড়ছে।কার্তিক চন্দ্র পালের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিচিতির অন্যতম ভিত্তি কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড।

পৌরসভার দায়িত্বে থাকাকালীন বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি কালিয়াগঞ্জে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন। এবার সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজের পরিধি শুধু কালিয়াগঞ্জের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়—রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকার উন্নয়নের দায়িত্বও তাঁর সামনে রয়েছে।একদিকে পৌরসভার প্রশাসনিক দায়িত্ব, অন্যদিকে সাংসদ হিসেবে বৃহত্তর এলাকার উন্নয়নের লক্ষ্য—দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় রেখে কার্তিক চন্দ্র পাল কতটা সফল হন, এখন সেটাই দেখার।
জেলার রেল যোগাযোগ, স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও পরিকাঠামোর উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রকাশ্য সভা থেকে কার্তিক চন্দ্র পালকে নিয়ে এমন প্রত্যয়ী মন্তব্য নিঃসন্দেহে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। তবে এই দাবি বাস্তবে কতটা সার্থক হবে, তার উত্তর দেবে আগামী দিনের উন্নয়নমূলক কাজ এবং ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সাধারণ মানুষের মূল্যায়ন।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, কার্তিক চন্দ্র পালের ওপর তাঁর যথেষ্ট আস্থা রয়েছে।
এবার সেই আস্থাকে বাস্তব উন্নয়নে রূপান্তরিত করে উত্তর দিনাজপুরের মানুষের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন সাংসদ, সেদিকেই নজর জেলার রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।
