মহা অষ্টমীর বিকেলে উপ পৌরপতি ঈশ্বর রজকের উদ্যোগে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বয়স্ক নাগরিকদের নিয়ে পূজা পরিক্রমা

তপন চক্রবর্তী,কালিয়াগঞ্জ ১ অক্টোবর: মহাষ্টমীর বিকেলে কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ার্ড কমিশনার তথা উপ পৌর পিতা ঈশ্বর রজকের অভিনব উদ্যোগে ওয়ার্ডের আনুমানিক ২৬০ জন বয়স্ক পুরুষ ও মহিলাদের টোটো তে বসিয়ে কালিয়াগঞ্জ শহরের পূজা মণ্ডপে মণ্ডপে মা দুর্গার দর্শন করিয়ে দেবার ব্যাবস্থা করেন কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার উপপৌর পিতা ঈশ্বর রজক।শুধু তাই নয় এই ২৬০ জন বয়স্ক পুরুষ ও মহিলা নাগরিকদের পূজা পরিক্রমায় বের হবার পূর্বে মহেন্দ্রগঞ্জে অবস্থিত পৌর সভার রাজীব গান্ধী ভবনে প্রত্যেকের দুপুরে কব্জি ডুবিয়ে আহারের ব্যাবস্থা করার পর একঘন্টা বিশ্রামের ব্যাবস্থা করা হয়।পূজা পরিক্রমা শেষে মহেন্দ্রগঞ্জ নাট মন্দিরে সবাইকে বসিয়ে উপ পৌরপিতা ঈশ্বর রজক সবাইকে শারদ উৎসবের শুভেচ্ছা জানানোর পর সবার হাতে মহিলাদের জন্য শাড়ি ও পুরুষদের জন্য একটি করে ধুতি প্রত্যেকের হাতে তুলে দিলে সবাই খুশি হয় বলে জানা যায়।

 

 

উপ পৌর পিতা ঈশ্বর রজক হয় বলেন এই পূজা পরিক্রমা এবারই প্রথম নয় কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার অধীন একমাত্র ১৩ নম্বর ওয়ার্ডেই বেশ কয়েক বছর করার পর মাঝখানে ব্যক্তিগত কারণবশত কিছুদিন বন্ধ ছিল।কিন্তু মন মানেনি।তাই আবার বয়স্কদের নিয়ে পূজা পরিক্রমা পুনরায় এবার শুরু করলাম।তিনি বলেন পৃথিবীতে কিছু কাজ করে না গেলে পরবর্তী জেনারেশন আমাদের ক্ষমা করবেনা।তাই পরবর্তী প্রজন্মের যুবকরা যাতে ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিক্রমার মাধ্যমে বয়স্কদের সন্মান জানায় এটাই পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তার আবেদন।বয়স্ক নাগরিকদের নিয়ে এই ধরনের অনুষ্ঠান সম্পর্কে বয়স্ক ব্যক্তিদের বক্তব্য তারা ভীষন খুশি হয়েছে বলে জানান।বয়স্ক নাগরিকরা জানান আমরা অনেকেই বয়সের কারনে মায়ের দর্শনের সুযোগ পাইনা।আমাদের ওয়ার্ড কমিশনার তথা উপপৌর পিতা ঈশ্বর রজকের দৌলতে আমরা মায়ের দর্শন করার সুযোগ পেয়েছি।এই জন্য ঈশ্বর রজককে আমাদের আশীর্বাদ।উনি যেন প্রতি বছর এইভাবেই আমাদের জন্য মায়ের দর্শনের ব্যাবস্থা করেন।