কানকি বাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ, বালুরঘাট–শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসে মিলল স্টপেজ
রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত কানকি অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে মান্যতা দিয়ে আজ থেকে বালুরঘাট–শিলিগুড়ি জংশন ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনের কানকি রেলওয়ে স্টেশনে আনুষ্ঠানিক স্টপেজ চালু হলো। এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিকভাবেই খুশির হাওয়া বইছে কানকি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার হাজার হাজার নিত্যযাত্রীর মধ্যে।এই গুরুত্বপূর্ণ স্টপেজ চালু হওয়ায় ছাত্রছাত্রী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এতদিন দূরবর্তী স্টেশনে গিয়ে ট্রেন ধরতে বাধ্য হতে হতো কানকি বাসীকে।

নতুন এই স্টপেজ সেই ভোগান্তির অবসান ঘটাল।এদিন স্টপেজ শুরুর খবর পেয়ে কানকি স্টেশনে উপস্থিত হয়ে রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন,“কানকি অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই ইন্টারসিটি ট্রেনের স্টপেজের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই রেল দপ্তরের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছি। আজ সেই দাবি পূরণ হওয়ায় আমি অত্যন্ত খুশি। আগামী দিনেও রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিটি এলাকার রেল যোগাযোগ আরও উন্নত করার জন্য আমি নিরলসভাবে কাজ করে যাব।”তিনি আরও বলেন, “এই স্টপেজ শুধু যাতায়াতের সুবিধাই বাড়াবে না, বরং কানকি ও আশপাশের এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নেও বড় ভূমিকা নেবে।”স্টপেজ চালু হওয়ায় উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষও। স্থানীয় বাসিন্দা এক যাত্রী বলেন,
“এই ট্রেনের জন্য আমাদের বহু বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। এখন থেকে শিলিগুড়ি বা বালুরঘাট যেতে অনেকটাই সহজ হবে। সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল আমাদের কথা শুনেছেন, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ।”আর এক কলেজ পড়ুয়া জানান,“পড়াশোনার জন্য নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। এই স্টপেজ আমাদের সময় ও খরচ—দু’টোই বাঁচাবে।”স্টপেজ চালু হওয়ার প্রথম দিনেই কানকি স্টেশনে লক্ষ্য করা যায় সাধারণ মানুষের ভিড় ও উচ্ছ্বাস। অনেকেই এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্রের ইতিবাচক পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।সব মিলিয়ে, বালুরঘাট–শিলিগুড়ি জংশন ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের কানকি স্টপেজ চালু হওয়া রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের মানুষের কাছে নিঃসন্দেহে এক ঐতিহাসিক ও স্বস্তির খবর।





