‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ছবির প্রদর্শনীতে ভিড় কালিয়াগঞ্জের ৫ ও ৭ নং ওয়ার্ডে ,উন্নয়নের ১৫ বছরের গল্প চোখের সামনে পেলেন সাধারণ মানুষ
তন্ময় চক্রবর্তী। :– আজ কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার ৫ নং ও ৭ নং ওয়ার্ডে এক অন্যরকম পরিবেশের সাক্ষী থাকল এলাকার মানুষ। মা-মাটি-মানুষের সরকারের টানা ১৫ বছরের উন্নয়নের পথচলা তুলে ধরতে প্রদর্শিত হলো সচেতনতামূলক ছবি ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’। ছবি প্রদর্শন ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও কৌতূহল লক্ষ্য করা যায়।ছবির পর্দায় ফুটে ওঠে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র। বিশেষভাবে নজর কাড়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প।
কীভাবে এই প্রকল্প রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলার জীবনে আর্থিক সুরক্ষা এনেছে, সংসারের খরচে ভরসা জুগিয়েছে এবং নারীদের আত্মসম্মান ও সামাজিক অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে—তা ছবির মাধ্যমে সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়।এছাড়াও স্বাস্থ্য পরিষেবা, শিক্ষা ব্যবস্থা, সামাজিক সুরক্ষা, কন্যাশ্রী ও দারিদ্র্য বিমোচনের মতো একাধিক প্রকল্পের সুফল ছবির বিভিন্ন দৃশ্যে প্রতিফলিত হয়। ছবি চলাকালীন দর্শকদের মনোযোগ ও আগ্রহ থেকেই স্পষ্ট ছিল, এই উদ্যোগ কতটা প্রভাব ফেলেছে।ছবি প্রদর্শন শেষে কালিয়াগঞ্জ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুজিত সরকার বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন,“এই ছবি শুধুমাত্র একটি সিনেমা নয়, এটা বাংলার উন্নয়নের দলিল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে মা-মাটি-মানুষের সরকার কীভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, তার বাস্তব ছবি এতে তুলে ধরা হয়েছে।”তিনি আরও বলেন,“লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মাধ্যমে আজ বাংলার মহিলারা আর্থিকভাবে অনেকটাই স্বাবলম্বী হয়েছেন। তাঁদের আত্মবিশ্বাস বেড়েছে, সংসার ও সমাজে তাঁদের ভূমিকা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এই ধরনের উদ্যোগ মানুষের কাছে সরকারের কাজ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।”সব মিলিয়ে কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার ৫ ও ৭ নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ ছবির প্রদর্শনী সাধারণ মানুষের মধ্যে রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজ সম্পর্কে নতুন করে সচেতনতা তৈরি করল বলেই মনে করছেন উপস্থিতরা।





