শিক্ষাগুরুকে সম্বর্ধনা জানালেন রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল
রাজনীতির মঞ্চে যারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী । তাদেরকেই দেখা গেল আজ শিক্ষক দিবসের দিন একে অপরের হৃদয়ের মানুষ হয়ে দাঁড়াতে। শিক্ষক দিবস যেন সমস্ত রাজনৈতিক বিতর্ককে ঊর্ধ্বে তুলে দিয়ে এক করে দিল দুজনকে। একজন হলেন রায়গঞ্জের সাংসদ তথা বিজেপি নেতা কার্তিক চন্দ্র পাল অপরজন হলেন কালিয়াগঞ্জ এর প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের টাউন সভাপতি তথা আট নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কমিশনার কমল ঘোষ। আজ দেখা গেল তাদের দুজনকে একে অপরকে জড়িয়ে ধরতে।

শুধু তাই নয় রাজনীতির মঞ্চে যতই তার প্রতিপক্ষ হোক না কেন। শিক্ষক দিবসের দিন রাজনীতির বাইরে বেরিয়ে তিনি তার শিক্ষক। তাই আজ শিক্ষক দিবসের দিন শিক্ষককে সম্মান জানানোই তার কর্তব্য।। তাই রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল কে দেখা গেল শিক্ষক কমল বাবুর বাড়িতে গিয়ে নিজের হাতে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে তার পায়ের প্রণাম করতে। যার ফলে ভীষণভাবে আপ্লুত হয়ে পড়েন কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার প্রাক্তন উপ পৌরপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের কালিয়াগঞ্জের প্রাক্তন সভাপতি কমল ঘোষ।


তিনি বলেন আজকের দিনে শিক্ষক দিবসের গুরুত্ব অনেকটাই হারিয়ে গিয়েছে যেখানে সেখানে দাঁড়িয়ে এমত অবস্থায় আজকে আমার প্রতিবেশী তথা একসময়ের ছাত্র আজকে ভারতবর্ষের যে জায়গায় অবস্থান করছে সে যে পুরনো জায়গাটা ভুলেনি তার জন্য আমি আনন্দিত এবং গর্বিত। এদিন দেখা গেল দুজনকেই বাড়িতে একে অপরের পাশে বসে বেশ কিছুক্ষণ ধরে গল্প করতে। যা সত্যি আজকের দিনে মহান মানবিকতার পরিচয় বলে মনে করেন অনেকেই।কারণ একটাই রাজনীতির বাইরে কমল ঘোষ ছিলেন একজন শিক্ষক। যার কাছে স্কুল জীবনে অনেক শিক্ষাও পেয়েছিলেন তিনি।
এদিন শিক্ষক দিবসে রায়গঞ্জের সাংসদ যে সমস্ত শিক্ষকদের সম্মান জানান তাদের বাড়িতে গিয়ে তাদের মধ্যে হলেন কালিয়াগঞ্জের প্রদ্যুৎ সরকার দুলাল দাস সঞ্জয় সাহা, সুভাষ দে কমল ঘোষ অশোক ঘোষ এবং রায়গঞ্জের শোভা মজুমদার।



![]()
