রায়গঞ্জের কৃষ্ণ কল্যানী ও সন্দীপ বিশ্বাসের দলীয় কোন্দলের ঢেও কালিয়া গঞ্জের বিজয়া সম্মিলনীর আসরে আছড়ে পরলো

তপন চক্রবর্তী,কালিয়াগঞ্জ,উত্তর দিনাজপুর ৮ অক্টোবর উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী এবং রায়গঞ্জের পৌর প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাসের দলীয় কোন্দলের আচ বুধবার কালিয়াগঞ্জ শহরের নজমু নাট্য নিকেতনের বিজয়া দশমীর নুষ্ঠানে আছড়ে পড়লো।রায়গঞ্জের পৌর সভার পৌর প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস তার বক্তব্যে বলেন গতকাল মঙ্গলবার রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী রায়গঞ্জে একটি বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠান করলেও সেখানে তারা ডাক পান নি। রাজ্যের মাননীয়া মুখযমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে সবাইকে একসাথে চলার নির্দেশ দিয়েছেন সেখানে তিনি রায়গঞ্জে দলীয় কোন্দল গড়ে তুলছেন। উত্তর দিনাজপুর জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কানাইয়া লাল আগারওয়াল বলেন সামনেই বিধানসভা ভোট।এই সময় সবাইকে নিজ নিজ এলাকায় দলকে সংগঠিত করতে হবে।নিজ নিজ বুথকে যে যত শক্তি শালী করতে পারবে দল সেখানে তত শক্তিশালী হবে।

 

আগামী বিধানসভা নির্বাচনে উত্তর দিনাজপুর জেলার ৯ টি বিধানসভা আমাদের দখল করতেই হবে।তাই এখন মান অভিমান ভুলে দলের কাজে সবাইকে মন দিয়ে কাজ করতে হবে। বুধবার কালিয়াগঞ্জ শহরের নজমু নাট্য নিকেতনে উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের পরিচালনায় ও ব্যবস্থাপনায় যেন চাঁদের হাট বসেছিল বিজয়া দশমীর সাংস্কৃতিক উৎসব উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল,রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানী, ইটাহারের বিধায়ক মোশারফ হোসেন,,কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার পৌর পিতা রাম নিবাস সাহা,উপ পৌর পিতা ঈশ্বর রজক,রায়গঞ্জ পৌর সভার পৌর প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস,উপ পৌর প্রশাসক অরিন্দম সরকার,উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের কো_ মেন্টর অসীম ঘোষ,উত্তর দিনাজপুর জেলা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নিতাই বৈশ্য,জেলা পরিষদ সদস্য রামদেব সাহানি,

 

প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা চেয়ারম্যান শচীন সিংহ রায়,কালিয়াগঞ্জ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি সুজিত সরকার,কালিয়া গঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক তপন কুমার দেব সিংহ কালিয়াগঞ্জ ব্লকের যুব নেতা রাজা ঘোষ সহ অনেকেই।অনুষ্ঠানে কালিয়াগঞ্জ তৃণমূলের কংগ্রেসে কালচারাল ইউনিটের শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করে বলে জানা যায়।উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি কানাইয়ালাল আগারওয়াল বলেন দুর্গাপূজা চলে গেল

.