রাধিকাপুর সীমান্তে বিএসএফ–জনতার সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার উদ্যোগ, ভাইব্রেন্ট ভিলেজ গড়ার লক্ষ্যে বিশেষ বৈঠকে বিধায়ক উৎপল মহারাজ
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী রাধিকাপুর অঞ্চলে সাধারণ কৃষক, সীমান্তবাসী ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

একই সঙ্গে কেন্দ্রের ভাইব্রেন্ট ভিলেজ উদ্যোগকে বাস্তবায়িত করে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত করার বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল মহারাজ, বিএসএফের ঊর্ধ্বতন আধিকারিক, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি, কৃষক ও সীমান্ত এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। আলোচনা সভায় সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, কৃষিকাজের সুবিধা-অসুবিধা, সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রেখে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করা, যুব সমাজের কর্মসংস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নসহ একাধিক বিষয় গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়।
বিএসএফ আধিকারিকরাও সীমান্তবাসীদের সঙ্গে আরও নিবিড় যোগাযোগ বজায় রাখার আশ্বাস দেন এবং যেকোনো সমস্যার দ্রুত সমাধানে সহযোগিতার বার্তা দেন।সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল মহারাজ বলেন,“সীমান্তের মানুষই দেশের প্রথম প্রহরী। তাঁদের নিরাপত্তা, সম্মান ও উন্নয়ন নিশ্চিত করা আমাদের সকলের দায়িত্ব। বিএসএফ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস ও সহযোগিতার সম্পর্ক যত শক্তিশালী হবে, সীমান্ত তত নিরাপদ হবে এবং উন্নয়নের পথও তত সুগম হবে।“তিনি আরও বলেন,“কেন্দ্র সরকারের ভাইব্রেন্ট ভিলেজ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিকে আধুনিক পরিকাঠামো, উন্নত যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের সুযোগের মাধ্যমে আত্মনির্ভর করে তোলা।
রাধিকাপুর–সহ সীমান্ত এলাকার প্রতিটি গ্রাম উন্নয়নের আলোয় আলোকিত হোক, সেটাই আমাদের অঙ্গীকার।“বিধায়ক জানান, সীমান্তবর্তী এলাকার কৃষকদের সমস্যার বিষয়েও তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করবেন যাতে কৃষিকাজে অযথা অসুবিধা না হয় এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সুযোগ-সুবিধা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া যায়।সভায় উপস্থিত সীমান্তবাসীরাও বিএসএফের সঙ্গে নিয়মিত সংলাপের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তাঁদের মতে, এ ধরনের বৈঠক ভবিষ্যতে সীমান্ত এলাকায় শান্তি, নিরাপত্তা ও উন্নয়নের পরিবেশ আরও মজবুত করবে।সবশেষে, সীমান্ত অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রশাসন, বিএসএফ ও সাধারণ মানুষের যৌথ উদ্যোগে একসঙ্গে কাজ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
