মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার জামিন বহাল থাকবে কিনা, তা নিয়ে কৌতূহল সবমহলে
মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহার জামিন বহাল থাকবে কিনা, তা নিয়ে কৌতূহল সবমহলে। কারণ, ইডির চার্জশিটে মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘চাকরি বিক্রির’ অঙ্ক ধরা হয়েছে প্রায় ১২.৭২ কোটি টাকা—মন্ত্রী যার কোনও সদুত্তর এখনও পর্যন্ত দিতে পারেননি বলে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি। ইডির দাবি, ১৫৯ জন প্রার্থীর কাছ থেকে গড়ে ৮ লক্ষ টাকা করে নিয়েছিলেন মন্ত্রী। সেই হিসাবে দাঁড়ায় ১২.৭২ কোটি টাকা।

এই টাকা কোথা থেকে এল, কোথায় গেল—তা নিয়ে এখনো পর্যন্ত সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি চন্দ্রনাথ, এমনটাই জানাচ্ছে ইডি সূত্র।তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, এই বিপুল অঙ্কের কোনও হদিশ নেই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে, না রয়েছে জমিজমা বা সম্পত্তির নথিতে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এই অর্থের উৎস কী? তা জানতেই মন্ত্রীকে হেফাজতে চায় ইডি। যদিও গত সপ্তাহেই আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন চন্দ্রনাথ। আদালত অবশ্য কিছু শর্ত দিয়েছিল—নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ও কলকাতা ছাড়া অন্য কোথাও যাওয়া যাবে না, তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে।কীভাবে নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে মন্ত্রী চন্দ্রনাথের নাম জড়াল? আদালতে ইডি জানিয়েছিল, বহিষ্কৃত তৃণমূল যুবনেতা কুন্তল ঘোষের জবানবন্দিতে উঠে আসে চন্দ্রনাথের নাম। তার পরই শুরু হয় অনুসন্ধান। তাঁর অ্যাকাউন্টে মেলে বড়সড় টাকার লেনদেনের হদিস l

