নির্বাচনের মুখে চাকুলিয়ায় কংগ্রেসে বড়সড় ধাক্কা—সেতাবুদ্দিন (মুন্না) সহ কয়েক শতাধিক কর্মীর তৃণমূলে যোগদান

উত্তর দিনাজপুর, চাকুলিয়া:নির্বাচনের আগেই চাকুলিয়ায় কংগ্রেসে বড়সড় ভাঙন। কংগ্রেস নেতা সেতাবুদ্দিন ওরফে মুন্না সহ কয়েক শতাধিক কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। এই যোগদানের ফলে রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট চাপে পড়ল কংগ্রেস শিবির, অন্যদিকে শক্তি আরও বাড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের।চাকুলিয়া পাওয়ার হাউস মাঠে তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল যোগদান সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন সদস্যদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন রাজ্যের মন্ত্রী গোলাম রব্বানী ও চাকুলিয়ার বিধায়ক মিনাজুল আরফিন আজাদ। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগারওয়াল সহ জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃবৃন্দ।জানা গেছে, সেতাবুদ্দিন একসময় চাকুলিয়া ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের আগে অভিমান করে তিনি তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফের তিনি নিজের পুরনো দলে, অর্থাৎ তৃণমূল কংগ্রেসেই ফিরে এলেন।যোগদান সভায় সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো, যা এই কর্মসূচিকে কার্যত এক শক্তি প্রদর্শনে পরিণত করে। 

 

তৃণমূল কংগ্রেস এর জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগারওয়াল,  বলেন চাকুলিয়ায় মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেই আছে। আজকের এই যোগদান তারই প্রমাণ। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে চাকুলিয়া থেকে ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী করার লক্ষ্য নিয়ে আমরা এগোচ্ছি।”এদিন মঞ্চ থেকেই তিনি ইঙ্গিত দেন, মিনাজুল আরফিন আজাদই চাকুলিয়ার তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাব্য প্রার্থী।নবনিযুক্ত তৃণমূল নেতা সেতাবুদ্দিন ওরফে মুন্না  বলেন “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আজ আবার নিজের ঘরে ফিরলাম। চাকুলিয়ার উন্নয়নের জন্য দলকে আরও শক্তিশালী করতে আমরা সকলে একসঙ্গে কাজ করব।”সভা শেষে তৃণমূল নেতৃত্ব দাবি করেন, এই যোগদানের ফলে চাকুলিয়ায় সাংগঠনিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেস আরও মজবুত হলো এবং আসন্ন নির্বাচনে তার সুস্পষ্ট প্রভাব পড়বে।