উন্নয়নের গতি বাড়াতে ‘অ্যাকশন প্ল্যান’! উত্তর দিনাজপুরে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের প্রশাসনিক বৈঠক

তপন চক্রবর্তী,কালিয়াগঞ্জ,২৯ আগস্ট:জেলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে উত্তর দিনাজপুর জেলা সফরে এলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। উত্তর দিনাজপুরে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের প্রশাসনিক জেলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে উত্তর দিনাজপুর জেলা সফরে এলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

 

শনিবার রায়গঞ্জের অডিটোরিয়ামে পৌঁছাতেই তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।এরপর জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন মন্ত্রী। বৈঠকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে চলা উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, বাস্তবায়নের বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক স্তরে থাকা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।জেলার গ্রামাঞ্চলে উন্নয়নমূলক কাজের গতি আরও বাড়াতে কীভাবে প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার করা যায়, সেই বিষয়েও আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। পাশাপাশি চলমান প্রকল্পগুলির কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং আগামী দিনে আরও কার্যকরভাবে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।এদিনের বৈঠকে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল, রায়গঞ্জের বিধায়ক তথা মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী, হেমতাবাদের বিধায়ক হরিপদ বর্মন এবং কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল ব্রহ্মচারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক-সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।জেলার বিভিন্ন এলাকায় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মাধ্যমে যে সমস্ত কাজ চলছে, তার বাস্তব অগ্রগতি কতটা হয়েছে এবং কোথায় কোথায় কাজের গতি বাড়ানো প্রয়োজন—বৈঠকে মূলত সেই বিষয়গুলিই খতিয়ে দেখা হয়।পঞ্চায়েত মন্ত্রীর জেলা সফর এবং প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠককে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই জেলা প্রশাসনিক মহলে ছিল ব্যাপক তৎপরতা। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মাধ্যমে জেলায় যে সমস্ত কাজ চলছে, সেগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন।উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে জানা যায়।জ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শনিবার রায়গঞ্জের অডিটোরিয়ামে পৌঁছাতেই তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়।এরপর জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের বিভিন্ন কাজকর্ম নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে বসেন মন্ত্রী। বৈঠকে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে চলা উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির অগ্রগতি, বাস্তবায়নের বর্তমান পরিস্থিতি এবং প্রশাসনিক স্তরে থাকা বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।জেলার গ্রামাঞ্চলে উন্নয়নমূলক কাজের গতি আরও বাড়াতে কীভাবে প্রশাসনিক সমন্বয় জোরদার করা যায়, সেই বিষয়েও আধিকারিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। পাশাপাশি চলমান প্রকল্পগুলির কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করা এবং আগামী দিনে আরও কার্যকরভাবে উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।এদিনের বৈঠকে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল, রায়গঞ্জের বিধায়ক তথা মন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী, হেমতাবাদের বিধায়ক হরিপদ বর্মন এবং কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল ব্রহ্মচারী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক-সহ জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন আধিকারিক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা।জেলার বিভিন্ন এলাকায় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মাধ্যমে যে সমস্ত কাজ চলছে, তার বাস্তব অগ্রগতি কতটা হয়েছে এবং কোথায় কোথায় কাজের গতি বাড়ানো প্রয়োজন—বৈঠকে মূলত সেই বিষয়গুলিই খতিয়ে দেখা হয়।পঞ্চায়েত মন্ত্রীর জেলা সফর এবং প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠককে ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই জেলা প্রশাসনিক মহলে ছিল ব্যাপক তৎপরতা। বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ জানান, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের মাধ্যমে জেলায় যে সমস্ত কাজ চলছে, সেগুলির অগ্রগতি পর্যালোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন।উন্নয়নের কাজ আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকের মূল লক্ষ্য বলে জানা যায়।