​উত্তর দিনাজপুরের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: সাংসদ কার্তিক পালের প্রচেষ্টায় রাধিকাপুর-বেঙ্গালুরু সরাসরি ট্রেন পরিষেবা শুরু

​ তন্ময় চক্রবর্তী।। উত্তর দিনাজপুর জেলার মুকুটে নতুন পালক। জেলাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মেনে অবশেষে উত্তর দিনাজপুরের রাধিকাপুর স্টেশন থেকে কর্ণাটকের বেঙ্গালুরু পর্যন্ত শুরু হচ্ছে নতুন সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেন। আগামীকাল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়ালি এই ঐতিহাসিক ট্রেনের শুভ উদ্বোধন করবেন। এই অসাধ্য সাধনের মূলে যাঁর নাম সবথেকে বেশি আলোচিত হচ্ছে, তিনি হলেন রায়গঞ্জের ভূমিপুত্র তথা সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল।সাংসদ কার্তিক পালের ঐকান্তিক প্রচেষ্টানির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে সাংসদ হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনলেন কার্তিক চন্দ্র পাল।

 

রেলমন্ত্রক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের দরবারে ব্যক্তিগত স্তরে বারংবার তদ্বির ও ধারাবাহিক ফলো-আপের মাধ্যমেই এই ট্রেনটি চালু হওয়া সম্ভব হয়েছে। জেলার সাধারণ মানুষের বক্তব্য, রায়গঞ্জের উন্নয়নের স্বার্থে সাংসদের এই ‘ঐকান্তিক প্রচেষ্টা’ ও ‘লড়াকু মানসিকতা’ না থাকলে এই স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়িত হওয়া কঠিন ছিল।জেলাবাসীর অভিনন্দন ও উচ্ছ্বাসএই খবর ছড়িয়ে পড়তেই জেলাজুড়ে খুশির হাওয়া। দক্ষিণ ভারতের চিকিৎসা বা কর্মসংস্থানের জন্য জেলার মানুষকে এতদিন মালদা বা এনজেপির ওপর নির্ভর করতে হতো।

এখন সরাসরি ট্রেন পেয়ে হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন সাধারণ মানুষ। এলাকার সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে ব্যবসায়িক মহল— সকলেই এই সাফল্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এবং বিশেষ করে সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পালকে উষ্ণ অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।উদ্বোধনের মাহেন্দ্রক্ষণরেল সূত্রের খবর, আগামীকাল ভার্চুয়ালি ফ্ল্যাগ অফ করবেন প্রধানমন্ত্রী।

 

রাধিকাপুর স্টেশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্থানীয় স্তরে উপস্থিত থাকবেন সাংসদ স্বয়ং। এই ট্রেনটি চালু হলে শুধুমাত্র যাতায়াতের সুবিধা হবে তাই নয়, উত্তর দিনাজপুরের অর্থনৈতিক মানচিত্রেও এক বড় বদল আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।​সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পালের প্রতিক্রিয়া:”এটি আমার একার জয় নয়, এটি গোটা জেলার মানুষের জয়। প্রধানমন্ত্রীর অন্ত্যোদয় সংকল্প ও রেলমন্ত্রীর সহযোগিতায় আজ আমরা এই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছি। উত্তর দিনাজপুরের মানুষের জন্য আমি এভাবেই লড়াই চালিয়ে যাব।”