সাড়ে চারশো বছরের ঐতিহ্যে নতুন প্রাণ! সংস্কার শেষে খুলল ঐতিহাসিক ভৈরব মন্দিরের দ্বার

তপন চক্রবর্তী,কালিয়াগঞ্জ: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। নবসংস্কারের পর আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে গেল উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ উন্নয়ন সমষ্টির অন্তর্গত বিন্দোলের ঐতিহাসিক ভৈরব মন্দিরের দ্বার।

সোমবার আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন ঘিরে ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উচ্ছ্বাস।

প্রায় ষোড়শ শতাব্দীতে নির্মিত এই প্রাচীন ভৈরব মন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ অবস্থায় ছিল। মন্দিরটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং জেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের অর্থানুকূল্যে এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের তত্ত্বাবধানে পূর্ত বিভাগের উদ্যোগে শুরু হয় সংস্কারের কাজ। অবশেষে সেই সংস্কার সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন রূপে আত্মপ্রকাশ করল ঐতিহাসিক এই মন্দির।দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি এবং পর্যটন বিভাগের প্রতিমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল, কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল ব্রহ্মচারী, হেমতাবাদের বিধায়ক হরিপদ বর্মন-সহ জেলার প্রশাসনিক আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।নবসংস্কারকৃত মন্দিরের উদ্বোধন ঘিরে সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন নতুন করে সংরক্ষিত হওয়ায় খুশি এলাকার মানুষ।প্রশাসনের আশা, ভৈরব মন্দিরের সংস্কারের ফলে শুধু জেলার ঐতিহ্যই রক্ষা হবে না, ভবিষ্যতে এই স্থানকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ও পর্যটনকেন্দ্রিক কর্মকাণ্ডও বাড়বে। এর ফলে বিন্দোল ও সংলগ্ন এলাকার পর্যটন সম্ভাবনাও আরও উজ্জ্বল হবে।