বাজারদর নিয়ন্ত্রণে ইসলামপুরে মহকুমা প্রশাসনের ‘কড়া নজর’! সবজি-মাছের বাজারে টাস্কফোর্সের যৌথ অভিযান

ইসলামপুর: নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর লাগামছাড়া দাম নিয়ন্ত্রণে এবার মাঠে নামল ইসলামপুর মহকুমা প্রশাসনের টাস্কফোর্স। মঙ্গলবার ইসলামপুরের বিভিন্ন বাজারে আচমকা অভিযান চালিয়ে সবজি, মাছসহ একাধিক খাদ্যসামগ্রীর বাজারদর খতিয়ে দেখলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

সাধারণ মানুষের পকেটে বাড়তি চাপ কমাতে প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্বস্তি ফিরেছে ক্রেতাদের মধ্যে।এদিন ইসলামপুর সবজি বাজার, তিনপুল সুপার মার্কেট, খুচরো মাছ বাজার-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বাজারে অভিযান চালানো হয়। শুধু খুচরো বাজারেই নয়, পাইকারি মাছ ও পাইকারি সবজি বাজারেও পৌঁছে যায় প্রশাসনের দল।বাজারে পণ্যের কেনাবেচা, নির্ধারিত মূল্য এবং খুচরো ও পাইকারি দামের মধ্যে সামঞ্জস্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়।অভিযানে মহকুমা প্রশাসনের আধিকারিকদের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা এবং পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন। বাজারে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

 

কোনও পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে কি না, ব্যবসায়ীরা কী দামে পণ্য কিনছেন এবং কত দামে তা বিক্রি করছেন—এসব বিষয়েও নজরদারি চালানো হয়।প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের বাজারে ন্যায্য মূল্য বজায় রেখে খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করার বিষয়ে সচেতন করা হয়। একইসঙ্গে সাধারণ ক্রেতাদের কাছ থেকেও বাজারদর সংক্রান্ত মতামত নেওয়া হয়।

 

প্রশাসনের এই আকস্মিক নজরদারিতে বাজারে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হলেও, ক্রেতা-বিক্রেতা উভয় পক্ষই এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন।ক্রেতাদের বক্তব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় সবজি ও মাছের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি অত্যন্ত জরুরি। বাজারে যদি নিয়মিত অভিযান চলে, তাহলে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির প্রবণতা অনেকটাই কমবে এবং সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পাবেন।অন্যদিকে, ব্যবসায়ীদেরও বক্তব্য, প্রশাসনের নজরদারি থাকলে বাজারে দামের স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েরই সুবিধা হবে।প্রশাসনের এই উদ্যোগে মূলত স্বস্তির বার্তা পৌঁছেছে মধ্যবিত্ত ও সাধারণ মানুষের কাছে। তাঁদের আশা, একদিনের অভিযানেই থেমে না থেকে আগামী দিনেও ধারাবাহিকভাবে বাজারগুলিতে নজরদারি চালাবে মহকুমা প্রশাসন। তাতে শাকসবজি, মাছসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষের সংসার চালানোর চাপ কিছুটা হলেও কমবে।