গ্রাসরুট লেভেল থেকে মানুষের মতামত নিয়েই তৈরি হবে আগামী দিনের নির্বাচনী ইস্তাহার: সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল
তন্ময় চক্রবর্তী“এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত, বিকশিত ভারত”—এই মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে আজ রায়গঞ্জে ভারতীয় জনতা পার্টির দলীয় কার্যালয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। জেলা সভাপতির উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যানিফেস্টো সাজেশন বক্সের শুভ উদ্বোধন করেন রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ শ্রী কার্তিক চন্দ্র পাল।সাংবাদিক সম্মেলনে সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন, “এক ভারত বিকশিত ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত—এবং সেই লক্ষ্যেই বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার।”

এই উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়িত করতে ভারতীয় জনতা পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ও রাজ্য নেতৃত্বের উদ্যোগেই আজকের এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গকে প্রকৃত অর্থে বিকশিত করতে হলে সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মূল্যবান মতামত অত্যন্ত প্রয়োজন। সেই লক্ষ্যেই রায়গঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আটটি বিধানসভা কেন্দ্রজুড়ে এই ম্যানিফেস্টো সাজেশন বক্স রাখা হবে, যেখানে সাধারণ মানুষ তাঁদের নিজ নিজ এলাকার সমস্যা, প্রয়োজন ও উন্নয়নমূলক প্রস্তাব সরাসরি জমা দিতে পারবেন।কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন, “আমরা সবাই জানি আমাদের জেলার কোথায় কী প্রয়োজন, কোথায় মানুষের কিসের অভাব। কী করলে আরও ভালো হতে পারে, কীভাবে পিছিয়ে পড়া জেলার তকমা ঘোচানো যায়—এই সমস্ত বিষয় সাধারণ মানুষই সবচেয়ে ভালো জানেন।” সেই বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সুপরামর্শই আগামী দিনের বিজেপির নির্বাচনী ইস্তাহারের মূল ভিত্তি হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।সাংসদের কথায়, গ্রাসরুট লেভেল থেকে সাধারণ মানুষের সুপরামর্শ গ্রহণ করেই আগামী নির্বাচনের ম্যানিফেস্টো প্রস্তুত করা হবে, যাতে মানুষের বাস্তব সমস্যা ও চাহিদার প্রতিফলন ঘটে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে দলের আরও নিবিড় সংযোগ গড়ে উঠবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, যেভাবে দেশজুড়ে ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে অগ্রগতি হচ্ছে, ঠিক সেইভাবেই পিছিয়ে পড়া পশ্চিমবঙ্গকে উন্নয়নের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে বিজেপি একশো শতাংশ চেষ্টা ও পরিশ্রম চালিয়ে যাবে।সব মিলিয়ে, এই ম্যানিফেস্টো সাজেশন বক্স উদ্যোগ শুধু একটি কর্মসূচিই নয়, বরং সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বরকে গুরুত্ব দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে বিকশিত করার এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলেই রাজনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে।






