“উন্নয়নই অঙ্গীকার, দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স” — রায়গঞ্জ বিডিও অফিসে প্রশাসনিক বৈঠকে কড়া বার্তা নবনির্বাচিত বিধায়ক কৌশিক চৌধুরীর

 

রায়গঞ্জে উন্নয়নের গতি আরও ত্বরান্বিত করতে এবং প্রশাসনিক কাজের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে আজ রায়গঞ্জ বিডিও অফিসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষ প্রশাসনিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জের নবনির্বাচিত বিধায়ক কৌশিক চৌধুরী, বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক আধিকারিক এবং ব্লক স্তরের কর্মীরা।বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক কৌশিক চৌধুরী স্পষ্ট ভাষায় জানান, রায়গঞ্জের প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে সমানভাবে উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, “মানুষ আমাদের উপর যে আস্থা রেখেছেন, সেই বিশ্বাসকে মর্যাদা দেওয়া এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। রাস্তা, পানীয় জল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের প্রতিটি মৌলিক সমস্যার দ্রুত সমাধান করতে হবে।

”তিনি আরও বলেন, “রাজ্যের নতুন সরকার মানুষের সরকার। এই সরকার কোনো দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়, সাধারণ মানুষের স্বার্থে কাজ করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতি বা অনিয়মের ক্ষেত্রে কোনো রকম আপস করা হবে না। জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই আমরা এগোতে চাই।”বিধায়ক প্রশাসনিক আধিকারিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত শেষ করার পাশাপাশি কাজের গুণগত মান বজায় রাখাও অত্যন্ত জরুরি। সাধারণ মানুষের অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে শুনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ারও নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি সকল জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।বৈঠকে উপস্থিত আধিকারিকদের সঙ্গে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তা সংস্কার, আবাসন, কৃষি, সেচ, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। আগামী দিনে রায়গঞ্জকে আরও উন্নত ও আধুনিক করে তুলতে একযোগে কাজ করার বার্তা দেন নবনির্বাচিত বিধায়ক।রাজনৈতিক মহলের মতে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক তৎপরতায় সক্রিয় ভূমিকা নিতে শুরু করেছেন কৌশিক চৌধুরী। আজকের বৈঠক সেই বার্তাকেই আরও স্পষ্ট করল।