উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরে কোটি কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় ৮ সদস্যের সিট গঠন_

তপন চক্রবর্তী,কালিয়াগঞ্জ,উত্তর দিনাজপুর ২৬ অক্টোব: উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তর থেকে কয়েক কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় ৮ সদস্যের সিট গঠন করা হল।জেলা শাসকের দপ্তরে কর্মরত ধৃত দীপা সাহা অধিকারীকে রায়গঞ্জ মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তোলা হলে বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতে নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন সরকারি আইনজীবী নীলাদ্রি সরকার।উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের তছরুপ কান্ডের মূল আসামী ঘটনার বেশি কিছুদিন পরেও অধরা। জানা জায় উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের কয়েক কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় তদন্তকারী আধিকারিকদের কাছে উঠে এসেছে একাধিক প্রভাব শালী ব্যক্তিদের নাম যা এখুনি তদন্তের স্বার্থে প্রকাশ তদন্তকারী আধিকারিকরা করবেন না।উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের কয়েক কোটি টাকা তছরুপের ঘটনায় যাদের নিয়ে সিট গঠন করা হয়েছে তারা হলেন অতিরিক্ত জেলা শাসক,মহকুমা শাসক,পুলিশের ডি এস পি, আই পি এস ও আই এ এস পদ মর্যাদার ঊর্ধ্বতন আধিকারিক।রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি বলেন আট সদস্যের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের নিয়ে একটি সিট গঠন করা হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিকরা সমস্ত বিষয় পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছেন।

 

 

২০২২ সাল থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা ক্ষেপে ক্ষেপে কর্মরত সরকারি কর্মীরা কি ভাবে তাদের ব্যক্তিগত একাউন্টে পাঠিয়েছিল। জানা যায় মূলত অ্যানিমিয়া কন্ট্রোল ফান্ড থেকে কয়েক কোটি টাকা তুলে নিজেদের একাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছিল বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়। জানা যায় উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের নাজির দপ্তরের প্রধান সুব্রত চন্দ এবং জেলার ভূমি অধিগ্রহণ দপ্তরের কর্মী দেপদীপ ভট্টাচার্য। রায়গঞ্জের মহকুমা শাসক কিংশুক মাইতি বলেন আট সদস্যের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের নিয়ে একটি সিট গঠন করা হয়েছে।ত২০২২ সাল থেকে সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা ক্ষেপে ক্ষেপে কর্মরত সরকারি কর্মীরা কি ভাবে তাদের ব্যক্তিগত একাউন্টে পাঠিয়েছিল। জানা যায় মূলত অ্যানিমিয়া কন্ট্রোল ফান্ড থেকে কয়েক কোটি টাকা তুলে নিজেদের একাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছিল বলে বিশেষ সূত্রে জানা যায়।জানা যায় উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের নাজির দপ্তরের প্রধান সুব্রত চন্দ এবং জেলার ভূমি অধিগ্রহণ দপ্তরের কর্মী ছিলেন দেবদীপ ভট্টাচার্য।এই দুই কর্মচারীদের সহযোগিতায় সরকারি তহবিল থেকে ৪ কোটি ৬৮ লক্ষ টাকা তছরুপ হয়। এদের দুইজন ছাড়াও লাটা গুরি রিসর্টস থেকে সুব্রতর বিশেষ বান্ধবী দীপা সাহা অধিকারীকে গ্রেপ্তার করে আনা হয়। জানা জায় ধৃত দীপা সাহা অধিকারীর একাউন্টে সরকারি তছরুপের বিপুল অর্থ পাঠা ত সুব্রত চন্দ এবং দেবদীপ ভট্টাচার্য।জানা যায় দীপা দেবীকে দফায় দফায় তিনবার পুলিশি হেফাজতের পর এবার জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত। জানা যায় গত দুই বছরে সুব্রত ও দীপা রায়গঞ্জ থেকে বার বার কলকাতার বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় গিয়ে ৯০ লক্ষ টাকা ফুর্তি করে উড়িয়েছিল।এছাড়াও শিলিগুড়ি এবং লাটাগুরির রিসোর্স এ গিয়ে ৩৫ লক্ষ টাকা ফুর্তি করে উড়িয়েছে বলে জানা যায়।এসব ছাড়াও ধৃত তিনজন ভারত বর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে পর্যটক হিসেবে গিয়ে সরকারের কোষাগারে অর্থ ব্যয় করেছে বলে সরকারি সূত্রে জানা যায়। জানা যায় সংখ্যালঘু দপ্তরের ২০ লক্ষ টাকার একটি চেক ভাঙাতে গিয়েই প্রথম উত্তর দিনাজপুর জেলা শাসকের দপ্তরের দুই কর্মী সরকারি অর্থ তছরুপের দায়ে ধরা পড়ে।পরবর্তীতে ১২ই অক্টোবর লাটাগুরির একটি রিসর্টস থেকে দীপাদেবীকে গ্রেপ্তার করে রায়গঞ্জ থানার পুলিস।