ভক্তির আবহে কালিয়াগঞ্জে সিদ্ধিদাতা গণেশের আরাধনা, ২৪×৭ Youths-এর উদ্যোগে জমজমাট পুজোর শুভ সূচনা

তন্ময় চক্রবর্তী সিদ্ধিদাতা শ্রীশ্রী গণেশের আরাধনায় ভক্তি ও উৎসবের আবহে মেতে উঠল উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ। ২৪×৭ Youths-এর উদ্যোগে কালিয়াগঞ্জের বয়রা কালী মন্দির সংলগ্ন মহাবীর ভবন

প্রাঙ্গণে শুরু হল সিদ্ধিদাতা শ্রীশ্রী গণেশ পুজো। পুজোর শুভ সূচনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের আমেজ।

 

পুজো প্রাঙ্গণে ভক্তদের আনাগোনা, সাজসজ্জা এবং ধর্মীয় আয়োজন ঘিরে ব্যস্ততা তুঙ্গে।শুভ মুহূর্তে গণেশ বন্দনা ও পুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সিদ্ধিদাতা গণেশ হলেন শুভবুদ্ধি, জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও সাফল্যের প্রতীক।

তাই নতুন প্রজন্মের মধ্যে ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি এলাকার মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা পৌঁছে দেওয়াই এই পুজোর অন্যতম লক্ষ্য।পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল। তিনি বলেন, “গণেশ পুজো শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি মানুষের মধ্যে মিলন ও সম্প্রীতির একটি অন্যতম মাধ্যম। ২৪×৭ Youths-এর তরুণ প্রজন্ম যেভাবে সুন্দরভাবে এই পুজোর আয়োজন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

 

এই ধরনের উদ্যোগ আগামী দিনে আরও বেশি করে এগিয়ে আসুক, এটাই কামনা করি।”সাংসদ আরও বলেন, “গণেশ হলেন জ্ঞান ও শুভবুদ্ধির প্রতীক। আমাদের নতুন প্রজন্ম যেন সঠিক পথে এগিয়ে যায় এবং সমাজ ও এলাকার উন্নয়নে নিজেদের ভূমিকা পালন করে, সিদ্ধিদাতার কাছে সেই প্রার্থনাই করি।

 

পুজোকে কেন্দ্র করে এলাকার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরি হোক।”অন্যদিকে পুজো উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “তরুণদের উদ্যোগে এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছে। শুধুমাত্র পুজো করাই নয়, এলাকার সমস্ত মানুষকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর সামাজিক পরিবেশ তৈরি করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

 

জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে এই পুজোকে আরও বড় করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।”উদ্যোক্তাদের আরও বক্তব্য, পুজো উপলক্ষে আগামী দিনগুলিতে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

 

স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি দূর-দূরান্তের মানুষকেও পুজো প্রাঙ্গণে এসে সিদ্ধিদাতা গণেশের আশীর্বাদ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।কালিয়াগঞ্জের

 

বয়রা কালী মন্দির সংলগ্ন মহাবীর ভবন প্রাঙ্গণে ২৪×৭ Youths-এর এই উদ্যোগকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও যথেষ্ট উৎসাহ দেখা দিয়েছে।

 

তরুণ প্রজন্মের উদ্যোগে আয়োজিত এই গণেশ পুজো আগামী দিনে কালিয়াগঞ্জের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন উদ্যোক্তা ও স্থানীয় বাসিন্দারা।