কালিয়াগঞ্জে যুব-সাথী ক্যাম্পে যুবদের পাশে বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী

তন্ময় চক্রবর্তী :- বাংলার জনদরদী মুখ্যমন্ত্রী মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শুরু হওয়া অনন্যসাধারণ প্রকল্প “যুব-সাথী” আজ রাজ্যের শিক্ষিত ও কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের কাছে আশার বড় ভরসা হয়ে উঠেছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যুবসমাজকে আত্মনির্ভর ও আত্মবিশ্বাসী করে তোলাই রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য।আজ উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জের হসপিটাল পাড়ায় রানিং বুলেট ক্লাবের মাঠে অনুষ্ঠিত হলো যুব-সাথী প্রকল্পের বিশেষ ক্যাম্প। এই ক্যাম্পে বিপুল সংখ্যক যুবক-যুবতীর উপস্থিতি ও তাদের উচ্ছ্বাস গোটা এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি করে।

এই ক্যাম্পে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী, উত্তর দিনাজপুর জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ অসীম ঘোষ এবং কালিয়াগঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি হিরন্ময় সরকার-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।ক্যাম্পে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বলেন,“মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সমাজকে বোঝেন, বিশ্বাস করেন এবং তাঁদের পাশে দাঁড়ান।

যুব-সাথী প্রকল্প কোনও অনুদান নয়, এটি যুবকদের স্বপ্নপূরণের সেতু। এই প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলার যুবসমাজ আর কারও উপর নির্ভরশীল থাকবে না—তারা নিজের পায়ে দাঁড়াবে, নিজের ভবিষ্যৎ নিজেই গড়বে।”তিনি আরও বলেন,“আজ কালিয়াগঞ্জের এই ক্যাম্পে তরুণদের চোখে যে আত্মবিশ্বাস দেখলাম, সেটাই প্রমাণ করে এই প্রকল্প কতটা যুগান্তকারী। বাংলার যুবকরাই আগামীর বাংলা গড়বে—এই বিশ্বাস থেকেই মুখ্যমন্ত্রী এই প্রকল্পের সূচনা করেছেন।”ক্যাম্পে অংশগ্রহণকারী যুবক-যুবতীরাও এই প্রকল্প নিয়ে আশাবাদী। অনেকেই জানান, যুব-সাথী প্রকল্প তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় নতুন দিশা দেখাচ্ছে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াচ্ছে।সব মিলিয়ে কালিয়াগঞ্জে অনুষ্ঠিত যুব-সাথী ক্যাম্প যুবসমাজের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা ও আশার সঞ্চার করেছে বলে মত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।