“অন্নপূর্ণার টাকায় মুখে হাসি, চোখে স্বপ্ন! ইসলামপুরে উপভোক্তাদের উচ্ছ্বাস—‘এই সরকার থাকুক চিরজীবন’”

অন্নপূর্ণা যোজনার প্রথম কিস্তির অর্থ হাতে পেয়েই খুশিতে আত্মহারা ইসলামপুরের মহিলারা। তাঁদের কথায়, দীর্ঘদিনের আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই প্রকল্প নতুন আশার আলো দেখিয়েছে। অনেকেই আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “এই সরকার শুধু পাঁচ বছর নয়, মানুষের পাশে থেকে চিরজীবন কাজ করুক।”রাজ্যজুড়ে অন্নপূর্ণা যোজনার অর্থপ্রদান কর্মসূচির শুভ সূচনা করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

সেই উপলক্ষে বৃহস্পতিবার উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর বিডিও অফিস প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইসলামপুরের বিডিও পিনাকী দেবনাথ, বিভিন্ন সরকারি আধিকারিক এবং বিপুল সংখ্যক উপভোক্তা মহিলা।অনুষ্ঠানে বড় পর্দায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়। উপস্থিত মহিলারা উৎসাহের সঙ্গে সেই অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন। এরপর উপভোক্তাদের হাতে অন্নপূর্ণা যোজনার বিশেষ সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধাভোগী রিনা বেপারী বলেন,“আজ আমাদের অ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে। সংসারের নানা প্রয়োজন মেটাতে এই অর্থ খুবই কাজে লাগবে। সরকার আমাদের কথা ভেবেছে, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। এই ধরনের প্রকল্প সাধারণ মানুষের জীবনে অনেকটা স্বস্তি এনে দেয়।”আর এক উপভোক্তা পূর্ণিমা বর্মন বিশ্বাস বলেন,“আমরা সত্যিই খুব খুশি। অনেক সময় ছোটখাটো প্রয়োজন মেটানোর জন্যও সমস্যায় পড়তে হয়। অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা সেই সমস্যার অনেকটাই দূর করবে। আমরা চাই এই সরকার মানুষের জন্য আরও বেশি কাজ করুক।”এদিন ইসলামপুর বিডিও অফিস চত্বরে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। নতুন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে বহু মহিলার মুখে ফুটে ওঠে তৃপ্তির হাসি। কেউ কেউ বলেন, এই অর্থ তাঁদের পরিবারের দৈনন্দিন খরচ সামলাতে সাহায্য করবে, আবার কেউ ভবিষ্যতের জন্য কিছু টাকা সঞ্চয়ের কথাও ভাবছেন।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলাকে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা করা হয়েছে। প্রথম দিনেই উপভোক্তাদের উচ্ছ্বাস প্রমাণ করে দিয়েছে যে প্রকল্পটি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।