কালিয়াগঞ্জের বিধায়ককে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজে না পাওয়ায় সিপিআইএম এর পক্ষ থেকে কালিয়াগঞ্জ শহরের সর্বত্র ” বিধায়কের সন্ধান চাই”বলে দেওয়াল লিখন_

তপন চক্রবর্তী,কালিয়াগঞ্জ,উত্তর দিনাজপুর ২৫ ডিসেম্বর:কালিয়াগঞ্জ বিধান সভার বিজেপির সম্মানীয় বিধায়ক সৌমেন রায়ের দীর্ঘদিন থেকে সন্ধান না পাওয়ায় সিপিআইএমের পক্ষ থেকে বিধায়ক সৌমেন রায়ের সন্ধান চাই বলে কালিয়াগঞ্জ শহরের সর্বত্র দেওয়াল লিখন দেখা যাচ্ছে।কেন বিজেপির বিধায়ক সৌমেন রায়ের সম্পর্কে এই ধরনের দেওয়াল লিখন লিখা হচ্ছে তার উত্তরে সিপিআইএম এর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে বিধায়ককে বিভিন্ন কাজে অধিকাংশ সময় প্রয়োজন।কিন্তু সেই বিখ্যাত গানের কলি বলছে “তোমার দেখা নাইরে তোমার দেখা নাই” বিধায়ককে কালিয়া গঞ্জের কোন উন্নয়নে যেমন নেই তেমনি স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের নানাধরনের কাগজপত্রে বিধায়কের স্বাক্ষরের প্রয়োজন হয়ে থাকে।সেই প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর করার জন্যও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়না।

 

 

তাহলে তিনাকে শুধু কি বিধায়কের ভাতা পাবার জন্য তাকে আমরা নির্বাচিত করেছি? সিপিআই এম নেতা সুজয় সাহা বলেন আমরা প্রথমে শহরের বিভিন্ন স্থানে সন্ধান চাই বিধায়কের এই ভাবে পোস্টার লিখা হচ্ছে।এরপর কালিয়াগঞ্জ থানায় আমরা সিপিআইএমের পক্ষ থেকে বিধায়ক সৌমেন রায়ের নামে একটি নিখোঁজ ডাইরি জমা দেব বলে সুজয় সাহা জানান।তিনি বলেন এ এক অদ্ভুত ধরনের মানুষকে আমাদের কালিয়াগঞ্জের মানুষ বিধায়ক পদে নির্বাচিত করে আমরা বিপদে পড়েছি বলে সুজয় বাবু জানান।সুযোগ সাহা আরো জানান তিনি বিভিন্ন বিদ্যালয়ে গিয়ে এটা করে দেব সেটা করে দেব বলে পাইকারি ভাবে পরিষেবা দেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কালিয়াগঞ্জ বিধান সভা এলাকায় একটি কাজ না করে কোথায় থাকে তার কোন সন্ধান পাওয়া মুশকিল হয়ে পড়েছে। তবে দুই একজন জানায় যেহেতু তিনি প্রথমে বিজেপি দলের হয়ে জয়ী হয়ে হঠাৎ করে তৃণমূল দলে গিয়ে বেশ কিছুদিন ঘর করার পর তার কৃত কর্মের জন্য তৃণমূলের কারো সাথে সুসম্পর্ক না থাকায় পুনরায় বিজেপিতে সৌমেন রায় চলে আসেন।কিন্তু বিজেপিতে চলে এলেও সৌমেন বাবুকে আর কেউ তাকে বিজেপি দলে পাত্তা না দেওয়ায় তাই নাকি তিনি কালিয়াগঞ্জ থেকে কলকাতায় গিয়ে বাসা বেঁধেছেন বলে শোনা যাচ্ছে।বিজেপির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কলিয়াগঞ্জের এক নেতা বলেন সামনের বিধান সভা নির্বাচনে সৌমেন রায় যে বিজেপির টিকিট পাচ্ছেনা এবিষয়ে সৌমেন রায় নিশ্চিন্ত থাকতে পারেন।এবার যদি ২০২১ সালের মত বিজেপির ঘাড়ে চাপিয়ে দেবার ব্যাবস্থা বিজেপি দল থেকে করে তাহলে বিজেপির কপালেও বড়সর দুঃখ আছে বলে বিজেপির সমর্থকরা মনে করেন।