রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত উদ্যোগে আয়োজন করা হল বনভোজনের

প্রতিটা মানুষের কর্মব্যস্ত জীবনের একঘেয়ামি কাটাতে পিকনিক বা বনভোজন হল একটা মোক্ষ ওষুধ।এককালে রাজা-বাদশাহরা ছেলেপুলে-সৈন্যসামন্ত নিয়ে বনে-জঙ্গলে ভোজনের আয়োজন করতেন। বনভোজনের রেওয়াজ শুরু তখন থেকেই। পরবর্তীতে গ্রামে আয়োজন হতো চড়ুইভাতির। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টে গেছে রূপবৈচিত্র্য। বছরের শুরুতেই বিভিন্ন স্কুল-কলেজে, অফিসে এই বনভোজন আয়োজন করা হয়ে থাকে। এদিন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের উদ্যোগেও আয়োজন করা হয় বনভোজনের।

বার্ষিক এই বনভোজন আয়োজন করা হয়েছিল মালদার আদিনাতে ।এদিন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত এ বনভোজনে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃত বিভাগের অধ্যাপক প্রশান্ত মহলা, অধ্যাপক স্বপন মাল, অধ্যাপক সমীর কুমার মন্ডল, হরিদাস সূত্রধর, বাবলু বর্মনসহ আরো অনেকে। এদিন এই বনভোজনের মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, পাপড় ভাজা, মাছের কালিয়া, ফুলকপির রোস্ট, মাংস, চাটনি ,মিষ্টি ও দই।মালদা থেকে প্রায় 20 কিমি দূরে রয়েছে আদিনা। আর আদিনাতেই রয়েছে আদিনা ডিয়ার পার্কটি। এদিন সমস্ত ছাত্র-ছাত্রীরা আদিনা ডিয়ার পার্কটি পরিদর্শন করে।পার্কটি তার প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অসংখ্য হরিণ দেখার জন্য একটি চমৎকার জায়গা। চিটাল বা দাগযুক্ত হরিণ এবং নীলগাই এখানকার সবচেয়ে বিখ্যাত দুটি প্রজাতি। প্রাকৃতিক পরিবেশে এদিন খুব সুন্দর ভাবে আয়োজন করা হয়েছিল এই বনভোজনের।শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে,একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম এই বনভোজন, যা শিক্ষার্থীদের চেনা পরিবেশের বাইরে প্রকৃতি, ইতিহাস বা সংস্কৃতির সংস্পর্শে আনে, পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়ায় এবং পাঠ্যবইয়ের বাইরের জ্ঞান অর্জনে সাহায্য করে, যা শুধু আনন্দই দেয় না, শিখনকেও আনন্দময় করে তোলে।