কিশানগঞ্জ বাইপাস প্রকল্পে বড়সড় অগ্রগতি! ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪-লেন গ্রিনফিল্ড বাইপাসের DPR প্রস্তুতির টেন্ডার অনুমোদিত

 

তন্ময় চক্রবর্তী দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে কিশানগঞ্জ বাইপাস প্রকল্পে এল গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। প্রস্তাবিত ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ৪-লেন গ্রিনফিল্ড কিশানগঞ্জ বাইপাসের Detailed Project Report (DPR) প্রস্তুতের জন্য টেন্ডার অনুমোদিত হয়েছে। পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে এই সিদ্ধান্তকে প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।প্রস্তাবিত এই বাইপাস চালু হলে কিশানগঞ্জ শহরের উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে উত্তরবঙ্গ ও বাংলার মধ্যে সড়ক যোগাযোগ আরও দ্রুত, সহজ ও সুগম হবে।

বিশেষ করে দূরপাল্লার যানবাহন শহরের ভিতর দিয়ে না গিয়ে বাইপাস ব্যবহার করতে পারলে যানজট ও যাতায়াতের সময়—দুই-ই কমতে পারে।দীর্ঘদিন ধরেই কিশানগঞ্জ বাইপাস প্রকল্প নিয়ে সাধারণ মানুষ ও স্থানীয় মহলে ব্যাপক আগ্রহ ছিল। এবার DPR তৈরির টেন্ডার অনুমোদনের খবর সামনে আসায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দিকে আরও এক ধাপ এগোল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।টেন্ডার অনুমোদনের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজেও বিষয়টি তুলে ধরেন। সেখানে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করিকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। পাশাপাশি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।এখন পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল DPR প্রস্তুত করা। এই রিপোর্ট তৈরি হলে প্রস্তাবিত বাইপাসের সুনির্দিষ্ট রুট, প্রযুক্তিগত পরিকল্পনা, জমি ও পরিকাঠামোগত প্রয়োজন, সম্ভাব্য ব্যয় এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপগুলি আরও পরিষ্কার হবে।ফলে কিশানগঞ্জ বাইপাস প্রকল্প নিয়ে এখন নতুন করে আশার আলো দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মহল। ২৫ কিলোমিটারের এই ৪-লেন গ্রিনফিল্ড বাইপাস বাস্তবে রূপ নিলে কিশানগঞ্জের যানজট কমানোর পাশাপাশি বেঙ্গল-টু-বেঙ্গল সড়ক যোগাযোগে নতুন গতি আসতে পারে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।