মোদীর স্বচ্ছতার বার্তা মাটিতে নামালেন কার্তিক পাল ও উৎপল মহারাজ! ভৈরবী মন্দিরে ঝাড়ু, দা হাতে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে মুগ্ধ সাধারণ মানুষ
তন্ময় চক্রবর্তী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দেশজুড়ে সুশাসন, জনকল্যাণ এবং স্বচ্ছতার যে বার্তা গত ১২ বছর ধরে পৌঁছে চলেছে, তারই প্রতিফলন দেখা গেল উত্তর দিনাজপুর জেলার হেমতাবাদ ব্লকের ঐতিহ্যবাহী ভৈরবী মন্দির প্রাঙ্গণে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সরকারের “বিশ্বাস, ভরসা ও সুশাসনের ১২ বছর” পূর্তি উপলক্ষে বিজেপির উদ্যোগে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় স্বচ্ছতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ এবং জনসংযোগ কর্মসূচি।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল, হেমতাবাদের বিধায়ক হরিপদ বর্মন এবং কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল মহারাজ বলেন, -সহ অসংখ্য বিজেপি কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ।তবে এদিনের কর্মসূচির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক ছিল নেতাদের সরাসরি অংশগ্রহণ। শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল এবং বিধায়ক উৎপল মহারাজকে নিজের হাতে দা নিয়ে মন্দির চত্বরের আগাছা ও জঞ্জাল পরিষ্কার করতে দেখা যায়। তাঁদের এই উদ্যোগে কর্মীদের মধ্যেও উৎসাহের সঞ্চার হয় এবং সকলে মিলে মন্দির প্রাঙ্গণকে পরিচ্ছন্ন করে তোলেন।এর পাশাপাশি মন্দির চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়। পরিবেশ রক্ষা ও সবুজায়নের বার্তা তুলে ধরতে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের বক্তব্য, “আমরা সাধারণত নেতাদের মঞ্চে বক্তব্য দিতে দেখি। কিন্তু আজ সাংসদ এবং বিধায়ককে নিজের হাতে আগাছা কাটতে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজে অংশ নিতে দেখে সত্যিই ভালো লেগেছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যেও স্বচ্ছতা বজায় রাখার সচেতনতা বাড়বে।”রায়গঞ্জের সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল বলেন,“প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে শুধু উন্নয়নের পথই দেখাননি, পরিচ্ছন্নতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধেরও শিক্ষা দিয়েছেন।
স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মূল উদ্দেশ্যই হল জনসাধারণকে এই কাজে যুক্ত করা। আমরা সেই বার্তাকেই মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।“কালিয়াগঞ্জের বিধায়ক উৎপল মহারাজ বলেন,“পরিচ্ছন্নতা শুধুমাত্র সরকারের দায়িত্ব নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের কর্তব্য।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্বপ্নের ভারত গড়তে হলে আমাদের সকলকে স্বচ্ছতা ও পরিবেশ রক্ষার কাজে এগিয়ে আসতে হবে। আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে সেই বার্তাই দেওয়া হয়েছে।“হেমতাবাদের বিধায়ক হরিপদ বর্মনও বলেন,“মন্দির, বিদ্যালয়, হাসপাতাল থেকে শুরু করে সর্বত্র পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর স্বচ্ছতার আহ্বানকে সফল করতে জনসাধারণের অংশগ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।“স্বচ্ছতা অভিযান, বৃক্ষরোপণ এবং জনসংযোগ—এই তিনটি কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এদিন ভৈরবী মন্দির চত্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উন্নয়ন ও সুশাসনের বার্তা তুলে ধরেন বিজেপি নেতৃত্ব। আর সাংসদ কার্তিক চন্দ্র পাল ও বিধায়ক উৎপল মহারাজের সরাসরি মাঠে নেমে কাজ করার দৃশ্য সাধারণ মানুষের মধ্যে বিশেষ সাড়া ফেলেছে। অনেকেই মনে করছেন, জননেতাদের এই ধরনের অংশগ্রহণমূলক উদ্যোগ রাজনৈতিক কর্মসূচিকে আরও বেশি জনমুখী করে তোলে।
