বিধানসভা ভোটের আগে বনভোজনে বার্তা স্পষ্ট—কালিয়াগঞ্জে কর্মীদের সঙ্গে একেবারে মাটিতে নেমে বিধায়ক সৌমেন রায়
একদিকে বিধানসভা নির্বাচন দোরগোড়ায়, অন্যদিকে শীতের মরশুম। এই সময় কর্মীদের নিয়ে একসঙ্গে বসে খাওয়া-দাওয়া ও খোলামেলা আলোচনা—রাজনৈতিক দিক থেকে যে কতটা কার্যকর, তা ভালোই জানেন রাজনৈতিক নেতারা। সেই ছবিই ধরা পড়ল কালিয়াগঞ্জে।আজ কালিয়াগঞ্জের ৪ নম্বর টাউন মণ্ডলের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল এক বনভোজন ও সাংগঠনিক আলোচনা সভা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক সৌমেন রায়। তবে শুধু উপস্থিত থাকাই নয়—এদিন একেবারে অন্য রকম ভূমিকায় দেখা গেল বিধায়ককে। হাতে খুন্তি নিয়ে রান্নার আসরে অংশ নিতে দেখা যায় তাঁকে। পাশাপাশি কর্মীরা ঠিকঠাকভাবে খাওয়া-দাওয়া করছেন কিনা, সেই বিষয়েও নজর রাখেন তিনি।বনভোজনের ফাঁকেই চলে গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক আলোচনা।

সূত্রে জানা যায়, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কালিয়াগঞ্জে বিজেপির ফল আগেরবারের তুলনায় কীভাবে আরও ভালো করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় কর্মীদের সঙ্গে।এই প্রসঙ্গে বিধায়ক সৌমেন রায় বলেন,“রাজনীতি মানে শুধু মঞ্চে ভাষণ দেওয়া নয়। কর্মীদের সঙ্গে সময় কাটানো, তাঁদের কথা শোনা, সুখ-দুঃখ ভাগ করে নেওয়াই আসল সংগঠন শক্তিশালী করার পথ। কালিয়াগঞ্জে বিজেপির সংগঠন আরও মজবুত হচ্ছে। আগামী বিধানসভা নির্বাচনে মানুষ উন্নয়ন ও স্বচ্ছ রাজনীতির পক্ষে রায় দেবেন—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।”তিনি আরও বলেন,“কর্মীরাই দলের আসল শক্তি। তাঁদের উৎসাহ ও ঐক্য থাকলে কালিয়াগঞ্জে বিজেপির ফল অবশ্যই আগেরবারের তুলনায় ভালো হবে।”বনভোজনে উপস্থিত বিজেপি কর্মীরাও বিধায়কের এই ভূমিকায় খুশি। এক কর্মী বলেন,“বিধায়ক নিজে আমাদের সঙ্গে বসে রান্না করছেন, খাওয়ার খোঁজ নিচ্ছেন—এতে আমাদের মনোবল অনেক বেড়ে যায়। উনি আমাদের পাশে আছেন বলেই আমরা আরও বেশি করে মাঠে নামতে পারব।”আর এক কর্মীর বক্তব্য,“নির্বাচনের আগে এ ধরনের বনভোজন ও আলোচনা আমাদের মধ্যে ঐক্য আরও বাড়ায়। বিধায়ক সৌমেন রায় যেভাবে সংগঠনকে সময় দিচ্ছেন, তাতে আমরা আশাবাদী।”সব মিলিয়ে, শীতের মরশুমে এই বনভোজন শুধুমাত্র খাওয়া-দাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে কালিয়াগঞ্জে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিল এই কর্মসূচি—এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।






