দুঃস্থের মুখে হাসি, মানবিক বিধায়কের হাতে রুটি-সবজি—১৪৬০ দিনের সাফল্য
তন্ময় চক্রবর্তী রায়গঞ্জ এর মানবিক বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী মহাশয়ের মানবিক উদ্যোগে ধারাবাহিকভাবে চলছে বিনামূল্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার এর মাধ্যমে রুটি ও সবজি বিতরণ কর্মসূচি।
বৃহস্পতিবার রায়গঞ্জ বিডিও অফিস চত্বরে এই কর্মসূচির ১৪৬০তম দিবস অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও সফলভাবে সম্পন্ন হলো।দীর্ঘ চার বছরেরও বেশি সময় ধরে একদিনের জন্যও বিরতি না দিয়ে চালু থাকা এই উদ্যোগে প্রতিদিন উপকৃত হচ্ছেন অসংখ্য দুঃস্থ, শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষ। দিনমজুর, পরিযায়ী শ্রমিক, রিকশাচালক, নির্মাণ শ্রমিক থেকে শুরু করে অসহায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধা—সবাই এই বিনামূল্যের আহার কর্মসূচির মাধ্যমে উপকৃত হচ্ছেন। অনেকের কাছেই এটি শুধু খাবার নয়, বেঁচে থাকার একটি বড় ভরসা হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দা এক পরিযায়ী শ্রমিক বলেন,“বাইরের রাজ্যে কাজ নেই বলে বাড়ি ফিরেছি। এই রুটি-সবজি না পেলে খুব কষ্ট হতো।
বিধায়ক বাবু আমাদের কথা ভেবেছেন বলেই আজ অন্তত একবেলা নিশ্চিন্তে খেতে পারছি।”একজন দিনমজুর মহিলা জানান,“আজ বাজারে সবকিছুর দাম অনেক। সংসার চালানো কঠিন। এখানে এসে বিনামূল্যে খাবার পাই, তাতে অনেক উপকার হয়। এমন উদ্যোগ খুব কম মানুষই নেন।”আরেক প্রবীণ ব্যক্তি বলেন,“আমি একা থাকি, আয়ের উৎস নেই। এই খাবারটাই এখন ভরসা। কৃষ্ণ কল্যাণী সাহেবের জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি।”এ বিষয়ে বিধায়ক শ্রী কৃষ্ণ কল্যাণী মহাশয় বলেন,“রাজনীতির আসল উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। যতদিন আমার ক্ষমতা ও সামর্থ্য থাকবে, ততদিন এই পরিষেবা চালু থাকবে। কেউ যেন অভুক্ত না থাকে—এটাই আমার লক্ষ্য।”স্থানীয় প্রশাসনিক মহল ও সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষও এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, আজকের দিনে যখন অনেক প্রতিশ্রুতি কেবল কথাতেই সীমাবদ্ধ, তখন কৃষ্ণ কল্যাণী মহাশয়ের এই ধারাবাহিক মানবিক কর্মসূচি এক উজ্জ্বল ব্যতিক্রম।মানবিক বিধায়কের এই কর্মসূচিতে খুশি সর্বস্তরের মানুষ। সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিকতার অনন্য নিদর্শন হিসেবে রায়গঞ্জে ক্রমশই দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে এই বিনামূল্যে রুটি ও সবজি বিতরণ কর্মসূচি।





