August 9, 2022

কালিয়াগঞ্জ পৌর সভায় ১৭ টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬৮জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ

1 min read

কালিয়াগঞ্জ পৌর সভায় ১৭ টি ওয়ার্ডে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬৮জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ

তপন চক্রবর্তী, কালিয়াগঞ্জ ১৩ ফেব্রুয়ারি: দুয়ারে পৌর ভোট।শুরু হয়ে গেল কালিয়াগঞ্জ শহরে মহেন্দ্রগঞ্জ ৬৪প্রহর নাম যজ্ঞ উৎসবের সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে পৌর ভোট উৎসব।কালিয়াগঞ্জ পৌর ভোটের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের পর দেখা যায় ১৭ ওয়ার্ডের জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৬৮ জন প্রার্থী ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন।যার মধ্যে তৃণমূল দলের বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর হযে প্রার্থী পদ না পেয়ে নির্দল হয়ে এবারের ভোটে প্রার্থী হয়েছেন। যা বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের প্রার্থীদের কাছে জয়ের পথের বড় কাঁটা অবশ্যই বলা যেতে পারে। এবারের কালিয়াগঞ্জ পৌর ভোটে কোথাও ত্রিমুখী লড়াই,কোথাও চতুর্মুখী আবার কোথাও ষষ্ঠমুখী লড়াই হতে দেখা যাচ্ছে।কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার পৌর ভোটে এবার সবার চোখ যেসব পৌর ওয়ার্ডে তার মধ্যে অন্যতম ওয়ার্ডগুলি হল ৮ নম্বর,১২ নম্বর,১০ নম্বর ১৩ নম্বর এবং ১৭নম্বর ওয়ার্ড। যেখানে ৮নম্বর ওয়ার্ডে প্রাক্তন পৌর পিতা তথা কালিয়াগঞ্জের উন্নয়নের কান্ডারি কার্তিক পাল।তার বিরুদ্ধে তৃণমূলের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে কমল ঘোষকে।যিনি প্রথম থেকেই ৮নম্বর ওয়ার্ডে লড়াইয়ে অনিচ্ছা প্রকাশ করে আসছে ন।১০ নম্বর ওয়ার্ডে সাশক দলের তথা পৌর সভার বিদায়ী পৌর প্রসাশক শচিন সিংহ রাযের বিরুদ্ধে বিজেপির লড়াকু নেতা গৌরাঙ্গ দাস।যেখানে বিদায়ী পৌর প্রসাশক হলফ করে বলতে পারবেনা তার জয় কতটা নিশ্চিত। ১২ নম্বর ওয়ার্ডে কালিয়াগঞ্জ শহর তৃণমূলের সভাপতি সুজিত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে ইতিমধ্যেই ঝড় তুলে দিয়েছেন বিজেপির লড়াকু নেতা বিভাস সাহা।

 

যাকে রাতে বিরাতে ডাকা মাত্র বিপদগ্রস্ত মানুষের সব দিকদিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে থাকাটাই যেন তার একমাত্র কাজ বলে তিনি মনে করেন। ,১৩নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী উপ-পৌর প্রসাশক ঈশ্বর রজকের সাথে লড়াইয়ের ময়দানে একদিকে যেমন নেমেছেন কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা বলে পরিচিত তথা কাজের মানুষ সুজিত দত্ত।অপর দিকে বিজেপির হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছে গোকুলা পাল।যার মাঝ থেকে ঈশ্বর রজকের বেরিয়্যে আসা হবে অসাধ্য সাধন।অন্যদিকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী পৌর উপ প্রসাশক বসন্ত রায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বুথ কমিটির সভাপতি খোদ সাংবাদিকদের বলছেন এবার বসন্ত রায়ের পরিবর্তন চায় তারা।বসন্ত রাযের প্রথম লিস্টে নাম না থাকায় বসন্ত বাবু নির্দল হিসাবে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতেই পরবর্তীতে তার নাম প্রার্থী পদের জন্য অনুমোদন দেয় তৃণমূল দল।১৭ নম্বর ওয়ার্ডে পূর্বে আইনব্যবসায়ী রাজেশ গুপ্তা দেওয়াল লিখন বাড়ি বাড়ি প্রচারে নেমে গেলেও পরে তা বন্ধ করে দিতে রাজেশ গুপ্তা বাধ্য হন। এই সব নিয়ে এবারের পৌর ভোট তৃণমূল তথা সাশক দলের কাছে কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার দখল করা খুব একটা সহজ ব্যাপার বলে মনে করছে না অনেকেই। এবারের পৌর নির্বাচনে মূল লড়াই হতে যাচ্ছে বিজেপির কার্তিক পালের সাথে সাশক দলের কিছু তৃণমূল নেতাদের।কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার প্রাক্তন পৌর পিতা তথা বিজেপি নেতা কার্তিক পালের তিন বছরের অসাধারন উন্নয়নের মূল্যায়নের উপর ভোট হবে বলেই কালিয়াগঞ্জের পৌর নাগরিকরা মনে করছেন। কালিয়াগঞ্জের পৌর নাগরিকরা এবার পুনরায় বেছে নেবেন প্ৰকৃত উন্নয়নের কান্ডারিকে।শহরের মানুষদের একটাই আলোচনা চায়ের দোকানে অথবা বাজার ঘটেবাজার ঘাটে। তারা কাজের মানুষকেই বেছে নেবেন।কারন কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার বিগত দিনে যে উন্নয়ন মূলক কাজ তারা দেখতে পারেনি সেই ঊন্নয়ন সামান্য সময়ের মধ্যে তারা তা দেখবার সুযোগ পেয়েছে বিগত সামান্য কয়েক বছরের মধ্যেই।যা এক কথায় অভাবনীয়,যা ভাবাই যায়না।সাধারণ মানুষদের বক্তব্য আমরা কাজের মানুষকেই খুঁজে বের করবো।অনেক মানুষইতো আশীর্বাদ নেবার জন্য আসছে।কিন্তূ সেই সব মানুষতো কালিয়াগঞ্জের উন্নয়ন করবার সাহস পায়নি কোনদিন?তাই আমরা দল দেখবনা কাজের মানুষদের খুঁজে বের করে তাদের হাতে কালিয়াগঞ্জের উন্নয়নের দায়িত্ব তুলে দেব।যাতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কালিয়াগঞ্জের অসমাপ্ত কাজগুলি সেরে শহরকে আরো উন্নত শহরে পরিণত করতে পারে।আমরা তাদের পাশেই থাকবো যারা কাজের পরিবর্তে মানুষদের সমস্যায় ফেলবেনা।পৌর পরিষেবা শহরের সর্বত্র পৌঁছে দেবে।পৌর নাগরিকদের কথায় কথায় পুলিশি ভয় দেখাবেন না। জানা যায় কালিয়াগঞ্জ পৌর সভায় এবারের ভোট সাশক তৃণমূল দলের কাছে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।তৃণমূলের বেশ কিছু নেতাও হারে হারে বুঝতে পারছে কালিয়াগঞ্জ শহরের সাশক তৃণমূলের কতিপয় নেতা তাদের নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে পৌর ভোটে যে বড় সর বাজি ধরে ফেলেছে তা শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে না পারলে আগামী দিনে যে সাশক দল থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তার কিছুটা আভাস সাধারণ মানুষের কথাবার্তায় তার ইঙ্গিত বহন করছে। যেখানে বিদায়ী পৌর প্রসাশক শচিন সিংহ রায় হলফ করে বলতে পারবেনা তার জয় কতটা নিশ্চিত।কারন ১০নম্বরের তৃণমূল সমর্থকেরাই তার ওয়ার্ড পরিবর্তনকে কোন ভাবেই মেনে নেবেনা বলে ঐ এলাকার অধিকাংশ মানুষকেই বলতে শোনা যায়।এখানেই শেষ নয় শচিন সিংহ রাযের ১১নম্বর ওয়ার্ড যেহেতু মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত তাই ঐ এলাকার অনেক কর্মঠ তৃণমূলের মহিলাদের মধ্যে থেকে কাউকে প্রার্থী না করে তার এক বৃদ্ধা শ্যালিকাকে প্রার্থী করায় ১১ নম্বরের তৃণমূলের মহিলারা শচিন সিংহের এই ধরনের কাজের উপযুক্ত জবাব দেবার জন্য তলে তলে তারা প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানা যায়। এবারের পৌর নির্বাচনে ১২ নম্বর ওয়ার্ডে কালিয়াগঞ্জ শহর তৃণমূলের সভাপতি সুজিত সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে ইতিমধ্যেই ঝড় তুলে দিয়েছেন বিজেপির লড়াকু নেতা তথা সমাজসেবী যুবক বিভাস সাহা।যাকে রাতে বিরাতে ডাকা মাত্র বিপদগ্রস্ত মানুষের সব দিকদিয়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে থাকাটাই যেন তার একমাত্র কাজ। ,১৩নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী উপ-পৌর প্রসাশক ঈশ্বর রজকের সাথে লড়াইয়ের ময়দানে একদিকে যেমন নেমেছেন কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা বলে পরিচিত তথা কাজের মানুষ সুজিত দত্ত।অপর দিকে বিজেপির হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছে আর এক সমাজ সেবী গোকুল পাল।যার মাঝে পরে ঈশ্বর রজকের বেরিয়্যে আসা হবে অসাধ্য সাধন।শুধু তাই নয় ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের অধিকাংশ বিভিন্ন স্তরের মানুষকে বলতে শোনা যাচ্ছে আমরা খাল কেটে কুমিরকে কোন ভাবেই আনবো না। কারন এই মানুষের সমাজ সেবার দৃষ্টান্ত দেখে আমরা লজ্জিত। এই তৃণমূলের প্রার্থী ঈশ্বর রজক তার বাড়ির পাশের হত দরিদ্র মহিলার প্ৰতি নিজের সাজানো ঘটনা ঘটিয়ে যে ভাবে তাকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করতে পারে এবং তার ১৫ বছরের একটি স্বাস্থ্য কর্মীর কাজ কেড়ে নিয়ে তার পেটে লাথি মারতে পারে আর যাই হোক কোন ভাবেই তার প্ৰতি আমাদের সহানুভূতি থাকবেনা।তিনি শুধু একজনের পেটেই লাথি মারেন নি।১৩নম্বর ওয়ার্ডের একজন সার্ভে মহিলা কর্মীর ও চাকরি থেকে সরিয়ে দিয়েছেন।যদিও তিনি নাকি ১৩ নম্ভর ওয়ার্ডের ৭০জন যুবককে চাকরি দেবার জন্য সবার কাছ থেকে বায়োডাটা নেবার কাজ করে রেখেছেন।এলাকার মানুষের বক্তব্য তার চাকরিটা এবার আগে যেন ঠিক রাখেন।তিনি ভোটের আগে যতই মানুষদের নানা ভাবে প্রলোভন দেখাক।ঘরে ঘরে আশীর্বাদ নিতে গিয়ে বলে চিন্তা করবেন না আবার সময় মত দেখা করবো।ত্তর কথার আমরা কোন গুরুত্ব দেবনা।অন্যদিকে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল প্রার্থী তথা বিদায়ী পৌর উপ প্রসাশক বসন্ত রায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের বুথ কমিটির সভাপতি খোদ সাংবাদিকদের বলছেন তারা এবার বসন্ত রায়ের পরিবর্তন চায়।বসন্ত রায়ের বিরুদ্ধে তাদের কাছে কাট মানি নেবার বহু অভিযোগ তাদের কাছে এসেছে।এই সব নিয়ে এবারের পৌর ভোট তৃণমূল তথা সাশক দলের কাছে কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার দখল করা খুব একটা সহজ সাধ্য ব্যাপার বলে মনে করছে না অনেকেই। এবারের পৌর নির্বাচনে মূল লড়াই হতে যাচ্ছে কার্তিক পালের সাথে মূলত তৃণমূলের প্রার্থীদের। একদিকে যেমন বিজেপি দলের অন্যতম মুখ তথা কালিয়াগঞ্জের উন্নয়নের কান্ডারী কার্তিক পালের সাথে সাশক দলের প্রার্থীদের ভোট যুদ্ধ।কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার প্রাক্তন পৌর পিতা কার্তিক পালের তিন বছরের অসাধারন উন্নয়নের মূল্যায়নের উপর ভোট হবে বলেই কালিয়াগঞ্জের পৌর নাগরিকরা মনে করছেন। কালিয়াগঞ্জের পৌর নাগরিকরা এবার পুনরায় বেছে নেবেন প্ৰকৃত উন্নয়নের কান্ডারিকে।শহরের মানুষদের একটাই আলোচনা চায়ের দোকানে,বাজার ঘাটে। তারা কাজের মানুষকেই বেছে নেবেন।কারন কালিয়াগঞ্জ পৌর সভার বিগত দিনে যে উন্নয়ন মূলক কাজ তারা দেখতে পারেনি তারা জীবদ্দশায় তা দেখবার সুযোগ পেয়েছে বিগত সামান্য কয়েক বছরের মধ্যেই।যা এক কথায় অভাবনীয়,যা ভাবাই যায়না।সাধারণ মানুষদের বক্তব্য আমরা কাজের মানুষকেই খুঁজে বের করবো।অনেক মানুষইতো আশীর্বাদ নেবার জন্য আসছে।কিন্তূ সেই সব মানুষতো কালিয়াগঞ্জের উন্নয়ন করবার সাহস পায়নি কোনদিন?তাই আমরা দল দেখবনা কাজের মানুষদের খুঁজে বের করে তাদের হাতে কালিয়াগঞ্জের উন্নয়নের দায়িত্ব তুলে দেব।যাতে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কালিয়াগঞ্জের অসমাপ্ত কাজগুলি সেরে শহরকে আরো উন্নত শহরে পরিণত করতে পারে।আমরা তাদের পাশেই থাকবোন যারা কাজের পরিবর্তে মানুষদের সমস্যায় ফেলবেনা।পৌর পরিষেবা শহরের সর্বত্র পৌঁছে দেবে।পৌর নাগরিকদের কথায় কথায় পুলিশি ভয় দেখাবেন না। জানা যায় কালিয়াগঞ্জ পৌর সভায় এবারের ভোট সাশক তৃণমূল দলের কাছে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।তৃণমূলের বেশ কিছু নেতাও হারে হারে বুঝতে পারছে কালিয়াগঞ্জ শহরের সাশক তৃণমূলের কতিপয় নেতা তাদের নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে পৌর ভোটে যে বড় সর বাজি ধরে ফেলেছে তা শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে না পারলে আগামী দিনে যে সাশক দল থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে তার কিছুটা আভাস সাধারণ মানুষের কথাবার্তায় তার ইঙ্গিত বহন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.