August 30, 2022

মুখ্যমন্ত্রীর উন্নয়ন কে হাতিয়ার করে ভোট প্রচারে তৃনমুল পার্থী পম্পা পাল

1 min read

         
তন্ময়
চক্রবত্তী ও  তন্ময়  দাস,
হেমতাবাদ:
ঘড়ের মেয়ে তৃনমুল
কংগ্রেয় জেলা পরিষদ  এর  পার্থী  (পম্পা
পাল)  এবারের১৬
নং জেলা পরিষদ  এর  মননীত
পার্থী , গ্রাম
পঞ্চায়েত ভোট আর মাত্র
কটা দিন তাই নির্বাচন
প্রচারে চড়া রোদে কে
উপেক্ষা করে জোড় দার
প্রচারে  নেমে
পরেছেন  নব
দিগন্তের আশার আলো এই
রাজনৈতিক তারকার  তথা
গৌতম পালের গৃহ সঙ্গিনী
পম্পা পালপম্পা দেবী হেমতাবাদ বিধানসভা  কেন্দ্রের
১৬ নং জেলা পরিষদ  এর
নজর কারা পার্থী, বাড়িতে
সাত মাসের পুত্র সন্তান
সাত বছরের কন্যাকে
রেখে জোড় কদমে তৃনমুল
কংগ্রেসের নিজ কর্মী দের
নিয়ে ,,
গ্রাম পঞ্চায়েতের পরিক্রমা  করেন কিছুটা
জল খেয়ে পায়ে হেটে
সাধারন মানুষ এর কাছে
গিয়ে তাদের নিত্যদিনের সমস্যার
কথা শুনেন গ্রামের সাধারণ  মানুষরা
পার্থী কে পাশে পেয়ে
আকরে ধরে রাখেন 
 পম্পা পাল
বলেন মাননীয়া  মুখ্যমন্ত্রী  মমতা
বন্দোপাধ্যায় য়ে ভাবে উন্নয়ন
জোয়ার  এনেছেন
তাতে হেমতাবাদ ব্লকে সাধারন মানুষ  বিন্দু
মাত্র পায় নি   য়েহেতু
পার্শবর্তী বাংলাদেশ  লাগোয়া
১ও৩ গ্রাম পঞ্চায়েত  আবস্থিত তাই উন্নয়ের কান্ডারীর
উন্নমনের হাত ধর প্রচার
শুরু করলেন

সাধারন
মানুষ  কে
নব নির্মত  তৃনমুল
কংগ্রেস  পার্থী  আশ্বাস
দেন এখান
কার সাধারন মানুষ এর
সমস্যা শুনলাম ক্ষ্মতায় এলে
সেই সব চাহিদা গুলি
কে সাধারন মানুষ  কে  হাতে
তুলে দিব।।এক
প্রশ্নের পম্পা দেবী  বলেন হেমতাবাদের প্রতিটা
মা আমা খুব আপন,প্রতিটা সন্তান আমার নিজ
সন্তান এর মতো,  আমার স্বামী  দৈঘ্য দিন থেকেই
রাজনৈতি ভাবে য়ুক্ত তিনি
সব সময় সাধারন মানুষের
পাশে থাকেছেন আমার
ইচ্ছা গ্রামের এই
নির্মল কমল মানুষের সাথে
থেকে মুখ্যমন্ত্রী  মমতা
বন্দোপাধ্যায় এর তথা উন্নয়ের
কান্ডারীর উন্নয়ন কে প্রতিটি
ঘরে পৌঁচ্ছে দেওয়া আমার মূল
লক্ষ্য তিনি
আরো বলেন  এখানকার  মানুষের
স্নেহ ভালোবাসা  
আশির্বাদ পাচ্ছি সাধারন মানুষ
আমার পাশে আছে  রাজনৈতিক  ময়দানে
না আসলে হয়তো মানুষের
ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত থাকতাম

 
হেমতাবাদ ব্লক য়ুব সভাপতি  সাহাজান
আলি,বিপুল ঘোষ
দলের কর্মী  দের
নিয়ে  বাড়ি
বাড়ি ঘুরে ঘুরে দেখলাম  সাধারন
মানুষএর কাছে তাদের ভোট
ভিক্ষা চাইলাম সাধারন
মানুষের উৎসাহ দেখে মনে
হছে আমরা ১০০ তে
১০০ আধিকার করবহেমতাবাদ ব্লকে
১৬ নং জেলা পরিষদ   পার্থী
পম্পা পাল তথা জেলা
পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা যুব তণমূল
কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গৌতম
পালের স্ত্রী পম্পা পাল গৌতম
পাল বলেন, “আমাদের নেত্রী  মুখ্যমন্ত্রী  মমতা
বন্দোপাধ্যায় য়ে ভাবে উন্নয়ন
জোয়ার  এনেছেন
এবং উত্তর  দিনাজপুর  জেলাতে
যেভাবে একের পর এক
উন্নয়নমুলক কাজ করেছেন তাতে
শুধু হেমতাবাদ নয় গোটা  উত্তর  দিনাজপুর
জেলার মানুষ এর মন
জয় করে নিয়েছেন  দেখা য়ায় উত্তর
দিনাজপুরের হেমতাবাদ ব্লকের চৈনগর, বিষ্ণুপুর
নওদা এই তিনটি
পঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত জেলা
পরিষদের এই
আসনটি বামেদের শক্তঘাঁটি বলে পরিচিত
কিন্তু দীর্ঘ ৩৪বছর ধরে
জেলার প্রান্তিক সীমান্ত এলাকার মানুষ ছিল
একেবারে উন্নয়ন  থেকে  বঞ্চিত কিন্তু
রাজ্যে  ঘাঁস
ফুল  সরকার
আসার ফলে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী
একাধিক গ্রামে উন্নয়নের জোয়ার
এসেছে কিন্তু এই এলাকায়
উন্নয়ন  এর
তালিকা আসলে   তা তেমন কাজ
হয় নি বলাই য়ায় ঘরের
মেয়ে পম্পা পাল  বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া গ্রাম এর
পিছিয়ে পড়া মানুষ  দের  বাড়ি
বাড়ি গিয়ে কথা বলেন
এছাড়া  ছোট
বড়ো আনেক সভা করেন,
আন্যান্য রাজনৈতিক দলের সভা গুলি
থেকে  মানুষের
ভীড় ছিলো উপচে পরার
মতো

এদিন
পম্পা দেবী ভোট প্রচার
চলাকালীন,একাধিক মন্দির য়েমন
দুর্গা,কালি, পিড়  সহ একাধিক  মন্দিরে গিয়ে প্রনাম করেন পাশাপাশি
হেমতাবাদ ব্লকের খনার হাটে
বিষ্ণুপুর হাট গিয়ে ব্যাবসায়ী
দোকানদারদের সাথে কথা বলেন হাটের
ভিতরে কর্মীদের সাথে নিয়ে দোকান
দার দের সাথে কথা
বলেন পার্থী পম্পা পালএখন
দেখার পালা রাজ্য রাজনৈতি
তে ভোট  বাক্সে
১৬নং জেলা পরিষদের তৃনমূলের
নবীন প্রার্থী পম্পা পাল কতটা
ফল করতে পারে

Leave a Reply

Your email address will not be published.