August 18, 2022

কালিয়াগঞ্জে ব্যবসায়ী মহলে জমজমাট ভাবে পালিত হলো অক্ষয় তৃতীয়া।

1 min read

পিয়া গুপ্তা উত্তর দিনাজপুর (কালিয়াগঞ্জ )বাঙালি মানেই বারো মাসের তেরো পার্বণ।আর তেরো পার্বনের একটি পার্বন হলো অক্ষয় তৃতীয়া ।বুধবার কালিয়াগঞ্জ জুড়ে ব্যবসায়ী মহলে পালিত হলো অক্ষয় তৃতীয়া। এদিন সকাল থেকে কালিয়াগঞ্জের বেশ কিছু ব্যবসায়ীরা প্রতি বারের মতো  প্রথা মেনে এদিন টি উপলক্ষে নিজেদের দোকান কে ফুল দিয়ে সাজিয়ে লক্ষি গনেশের অরাধনা করেন।।

এদিন  কালিয়াগঞ্জের বয়রা কালিবাডি  মন্দিরে বহু ভক্তরা  পূজো দিতে আসেন।হিন্দু মতে শুভ অক্ষয় তৃতীয়ার পবিত্র দিনে যে কোনো শুভ কাজ অক্ষয় হয়ে থাকে। এই দিনে অনেকে বাড়ি ঘর আরম্ভের কাজ শুরু করে থাকে।নতুন কোনোও দোকানের ও উদ্বোধন করা হয় । 

শাস্ত্র মতে এই দিনই ভাগিরথ স্বর্গ থেকে গঙ্গাকে মর্তে এনেছিলেন। এই দিনে হাজার হাজার পুনার্থীরা গঙ্গা স্নান করে পূর্ন সঞ্চয় করেন অক্ষয় তৃতীয়াকে ঘিরে যেন অনেক দোকানেই  ধনতেরাসের আয়োজন করা হয় ৷এই দিনটিকে ঘিরে  বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা এদিন নানা  রকম ‘অফার’ দিতেও দেখা যায় ৷মজুরিতে ছাড়, উপহার বা নানা ধরনের স্কিম রাখার উদ্দেশ্য হল এই দিনটিকে সামনে রেখে ভাল ব্যবসা করে নেওয়া৷কালিয়াগঞ্জের মহেন্দ্রগঞ্জের এক ব্যবসায়ী কান্তি সাহা জানান বাংলা নববর্ষ এবং অক্ষয় তৃতীয়া তুলনায় কাছাকাছি হওয়ায় এবার পয়লা বৈশাখ থেকে অক্ষয় তৃতীয়া পর্যন্ত টানা তারা  নানা ধরনের স্কিমের ব্যবস্থা করেছে৷অর্থাৎ তাঁরাও চেয়েছেন এই সময়টাকে ব্যবসার জন্য কাজে লাগাতে ৷ 
ব্যবসায়ী কান্তি সাহা জানান  অনেক শুভ কাজ করার জন্য এদিন টিকে তারা  বেছে নেন৷তা ছাড়া পয়লা বৈশাখের পাশাপাশি   অনেকেই হালখাতার অনুষ্ঠান করে থাকেন অক্ষয় তৃতীয়া দিনেই ৷কান্তি বাবু জানান এবারে তারা বাংলা নববর্ষ তে যদিও বা নতুন খাতার উদ্বোধন করেছিলেন।তাবে  অক্ষয় তৃতীযার দিনো ও তারা সুন্দর ভাবে নানান ফুল দিয়ে তাদের দোকান কে সাজিয়েছেন ।এছাড়া এদিনটি উপলক্ষে ঘরের নতুন সামগ্রী কিনেছেন ।

কারণ তাদের বিশ্বাস এই দিনে নতুন সামগ্রী কেনা শুভ হয়ে থাকে।এই পবিত্র দিনটি তে কোন শুভকার্য সম্পন্ন হলে অনন্তকাল তা অক্ষয় থাকে। মূলত এপ্রিলের শেষে বা মে মাসের প্রথমে এই শুভ তিথি পালন পড়ে থাকে। এদিন অক্ষয় তৃতীয়া কে ঘিরে এদিন বহু মানুষকে  রত্ন বা জিনিসপত্র কিনতে দোকানে ভীড় জমাতে দেখা যায় । 

সুখ-শান্তি ও সম্পদ বৃদ্ধি হবে, এই আশাতেই এদিন মানুষ কিছু না কিছু কিনে থাকেন। এদিন বিকেলে বহু মানুষ কে দেখা যায় নতুন জামা পড়ে কিছু কিছু দোকানে নিজের পুরোনো বাকি ছুকাতে।এই দিনটি কে ঘিরে এদিন কালিয়াগঞ্জের বহু দোকানকে নব রূপে সাজিয়ে খরিদ্দার দের নানান খাবার খেতে দিয়ে আপ্যায়ন করতে দেখা যায় ব্যবসায়ীদের ।তবে বাংলার নববর্ষ হোক কিংবা অক্ষয় তৃতীয়া বাঙালি মাত্রই যে এদিন গুলিতে চুকিয়ে আনন্দ করেন তারই প্রমাণ মিলল এদিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.