August 19, 2022

বসন্তের শেষ দিনে বসন্ত কে সঙ্গী করেই পাল তোলা হেভিওয়েট অসীমের প্রচার তুঙ্গে।

1 min read
জয়ন্ত বোস, বর্তমানের কথা।পঞ্চায়েত নির্বাচন বলে কথা। বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বনের
মতো উতসব মুখরিত হয়ে ওঠে পঞ্চায়েত নির্বাচন। গ্রামের মানুষ প্রায় একটা মাস এই
পঞ্চায়েত নির্বাচনের উতসবে আনন্দে মেতে ওঠে আর সেই আনন্দের ঢেউ আছড়ে পরে শহর
থেকে শহরাঞ্চলে
, মানুষের রাজনৈতিক রংমহলে।
আজ শনিবার চৈত্র মাসের শেষ দিন মানে 
বসন্তের শেষ রজনীর বিদায়ের ফাঁকে আগামীকাল উঁকি দেবে গ্রীষ্মের প্রথম দিন
পহেলা বৈশাখ
, শুভ নববর্ষর শুভ সূচনা। 

এরই মাঝে চলছে পঞ্চায়েত নির্বাচনী প্রচারের প্রথম ধাপের কাজ। আজ খবরের প্রতিবেদনে
উত্তর দিনাজপুর জেলার ১৮ নং জেলা পরিষদ আসনের তৃনমূল কংগ্রেসের মনোনীত
, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহধন্য প্রার্থী এবং এবারের জেলা
পরিষদ আসনের হেভিওয়েট প্রার্থী তথা উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের
কিংবদন্তি নেতা অসীম ঘোষ। 

রাজনৈতিক ঘরানার তরুণ তুর্কী ১৯৯৮ সাল থেকেই মমতা
ব্যানার্জির সাথে কাঁধে কাঁধ রেখে জেলা জুড়ে ঘাসফুলের বাগান তৈরী ও পরিচর্যার
অর্থাৎ দলের একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে সকলের পাশে ও সাথে থেকে সংগঠনের কাজ  করেছেন আর আজ এই প্রথম দীর্ঘ ১৯ বছর পরে আগামী
দিনে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে আরো বেশী জনহিতকর জনমোহিনী উন্নয়নের নকশিকাঁথার
পরিষেবা অনন্তপুর
, ধনকোল,রাধিকাপুর অঞ্চলকে নিয়ে গঠিত ১৮ নং জেলা পরিষদের অধীন
বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা পরিষদ আসনে ভোট যুদ্ধের ময়দানে
নেমে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন বিরোধী শিবিরের প্রার্থীদের সামনে। 

এই চ্যালেঞ্জ
বিরোধীদের কাছে শক্ত চ্যালেঞ্জ বলে প্রচারে তুলে ধরলেন। ২ নং ধনকোল অঞ্চলের
বিভিন্ন বুথে বুথে বুথ কর্মীদের
, সমর্থকদের এবং
এলাকা বাসীদের একত্রিত করে নির্বাচনী প্রচারের বার্তায় সকলকে উত্সাহিত করে নতুন
বছরের শুরু থেকেই নির্বাচনী রনাঙ্গনে বিগত ৫ বছরের মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে
উন্নয়ন মুখী সকল জনকল্যান প্রকল্পের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিলেন। 

অসীম
ঘোষ তার বার্তায় বললেন দুই দোসর শত্রু সিপিএম কংগ্রেস আজ বন্ধুর ভুমিকায় অবতীর্ণ
হয়ে বাংলার উন্নয়নকে স্তব্ধ করে দিতে যেমন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নির্বাচনী যাত্রা
পালায় যাত্রা করে বেড়াচ্ছে ঠিক তেমনি ধর্মের নামে সাম্প্রদায়িকতার শুরশুরিতে
অস্ত্র হাতে রামের নামে জয়ধ্বনি দিয়ে বাংলার সংস্কৃতিকে বিষিয়ে তুলছে। তিনি
বলেন বিরোধীদের যত অস্ত্রই থাক না কেন সব অস্ত্রই ভোঁতা হয়ে গেছে ও আরো ভোঁতা
হয়ে যাবে মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে বিভিন্ন প্রকল্পের
মাধ্যমে সকল উন্নয়ন মুখী অস্ত্রের কাছে। 

বছরের শেষ দিনে , বসন্ত কালের শেষ লগ্নেও বসন্ত কে সাথে করে অর্থাৎ আরো এক
জননেতা বসন্ত রায় এবং কালিয়াগঞ্জ পৌরসভার ৩৪ বছর পর উন্নয়নের পাল তুলে দেয়া
নাবিক পৌরপতি কার্তিক পাল কে সঙ্গী করে যেভাবে আগামী দিনে ১৮ নং জেলা পরিষদ এলাকার
সর্বস্তরের মানুষের কাছে মমতা ব্যানার্জির নেতৃত্বে উন্নয়ন কে পৌঁছে দিতে নির্বাচনী
ময়দানে ঝাঁপিয়ে পরেছেন এবং সর্বস্তরের মানুষের সাড়া পাচ্ছেন তাতে করে বিপুল
ভোটে জয়ী হতে শুধু সময়ের অপেক্ষা বলেই বুথ কেন্দ্রিক মানুষের আলোচনা আর এই
আলোচনা একদিকে অসীম ঘোষের মতো জনদরদী পোড়খাওয়া হেভিওয়েট নেতা অন্যদিকে মমতা
ব্যানার্জির নেতৃত্বে বাংলার উন্নয়নের সোপান।

Leave a Reply

Your email address will not be published.