August 17, 2022

এ কে 47 গো ব্যাক হয়ে গেল।

1 min read
জয়ন্ত বোস, বর্তমানের কথা। জন নেতা জনদরদীর জন্য। সকল স্তরের জনগণের কাছের , নিকটের , অন্তরের যিনি পরম আত্মীয়র মতো হয়ে ওঠেন রাজনৈতিক মঞ্চে থেকে তিনি হলেন জননেতা। রাজনৈতিক মঞ্চে থেকে সমাজসেবায় নেতা আখ্যায়িত হয়ে জননেতায় রূপান্তরিত হন একজন পোড়খাওয়া রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। আর এই পোড়খাওয়া জননেতা হলেন উত্তর দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা ইটাহার বিধানসভার বিধায়ক অমল আচার্য্য। সবাইতো একজন মানুষের ফ্যান হয়ে উঠতে পারেন না , কিছু কিছু ক্ষেত্রে অনেকেই সেই ব্যক্তির বিরোধী থাকেন।
 আবার একজন মানুষ সকলকেই খুশী করতে পারেন না। কিন্তু তার মধ্যেই শতকরা বেশীরভাগ জনের কাছে নিজেকে জননেতা হয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন অমল আচার্য্য।তাই তিনি ভাবেন তার নিরাপত্তা মানুষের ভালোবাসা ও পাশে থাকা। সমগ্র জেলা ব্যাপী বিভিন্ন প্রশাসনিক, রাজনৈতিক মঞ্চে থেকে উন্নয়ন ও সামাজিক পরিষেবাগুলি যেভাবে একজন সুদক্ষ কারিগর হয়ে সকল স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন যা এককথায় নজিরবিহীন এবং সেটা সম্ভব করতে পেরেছেন বাংলার উন্নয়নের কান্ডারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সান্নিধ্যে থেকেই। কিন্তু উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশ প্রশাসন আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের পূর্বে গোয়েন্দা সুত্রের খবর অনুযায়ী তার প্রাননাশের আশঙ্কায় আগাম  সতর্কে তার নিরাপত্তার জন্য সচেষ্ট হয়ে তড়িঘড়ি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এ কে 47 সহ একজন নিরাপত্তাকর্মী অমল আচার্য্যর জন্য নিয়োগ করে সর্বসময়ের জন্য ।

 আর, তারপর থেকেই অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ নিরাপত্তার বেষ্টনীতে আবদ্ধ হয়ে তার সাবলীল চলাফেরা ও জনগণের সাথে মেলামেশা এবং ওঠাবসার স্বাভাবিক ছন্দ হারিয়ে যেতে বসেছিল বলে অমল বাবুর বক্তব্য। এই প্রসঙ্গে তিনি হয়তো ভাবছিলেন সরোজিনী নাইডুর সেই বিখ্যাত উক্তিটি ” ইউ আর পুটিং এ বার্ড ইন এ কেজ ” । সরোজিনী নাইডুকে যখন গভর্নর করা হয়েছিল তখন তিনি অনুভব করেছিলেন একটা বড় বিল্ডিং এ নিরাপত্তার বেষ্টনীতে তাকে বন্দী করে দেয়া হল আর সেই সময়ে তিনি এই উক্তি করেছিলেন। ঠিক তেমনি অতি অল্প সময়েই অমল আচার্য্য অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রসহ নিরাপত্তার বেষ্টনীতে থেকে এই অনুভবটাই করতে পেরেছেন বলে তড়িঘড়ি সিদ্ধান্ত নিয়ে উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশ সুপারের কাছে তার বর্তমান নিরাপত্তার বিষয়টি ফিরিয়ে দিয়েছেন। ফিরিয়ে দিয়েই হাঁফ ছেড়েছেন স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসতে পেরে। কিন্তু আশ্চর্যের ঘটনা কোন রাজনৈতিক নেতা কিংবা মন্ত্রীর যাত্রাপথে কোন একটি বিশেষ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিরোধী দলের কর্মীরা কালো পতাকা নিয়ে ” গো ব্যাক” ধ্বনিতে স্লোগান দেয় কিন্তু  এখানে জনদরদী জননেতা অমল আচার্য্যর এই নিরাপত্তার বিরুদ্ধেই জনগণ হয়তো বলতে চেয়েছে ” এ কে 47 গো ব্যাক ”  আর এই শব্দহীন স্লোগান বুঝতে পেরেই অমল আচার্য্যর আলোচিত সিদ্ধান্ত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.